ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নানকের সম্পদ ও অর্থ পাচার নিয়ে গুরুতর অভিযোগ, মাসে যাচ্ছে বিপুল অর্থ ‘স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, নাগরিকের অধিকার’: জুবাইদা রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবার পেল ৯৮ লাখ টাকার সহায়তা সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম ঠেকাতে আসছে একক দরতালিকা আমিশা প্যাটেলের বাড়িতে চুরি, গৃহকর্মী গ্রেপ্তার স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনীতি, বিএনপিতে একাধিক প্রত্যাশী—প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের ‘ইসলামের নামে ঘৃণা ছড়ানোদের নিয়ে প্রশ্ন আছে’, শফিকুল ইসলাম মাসুদকে রাশেদ খাঁনের কটাক্ষ কৃষক কার্ড পাবেন কারা, কী সুবিধা মিলবে মোদির নৈশভোজে গেলেন না শি জিনপিং ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি, ঐচ্ছিক ছুটিতে টানা ৪ দিন বন্ধ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনীতি, বিএনপিতে একাধিক প্রত্যাশী—প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০২:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময় দেখুন

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও শুরু হয়েছে ব্যস্ততা। বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকারের ভোট আয়োজন। এরপর ধাপে ধাপে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজ নিজ প্রস্তুতি জোরদার করেছে। বিএনপিতে প্রায় প্রতিটি এলাকায় একাধিক নেতা সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করলেও জামায়াত অনেক এলাকায় আগেই সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করে মাঠে নামিয়েছে।

বিএনপিতে প্রার্থী বাছাইয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

সংশোধিত আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বা দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ নেই। তবে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে স্থানীয় পর্যায়ে একক প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিএনপি ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে। দলটির একাধিক সূত্রের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে প্রতি পদে গড়ে ৭ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত নেতা দলের সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত একজনকে বেছে নেওয়াই দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী

ঢাকায় সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইয়ুম এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

অন্যদিকে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদে প্রার্থী করার বিষয়ে দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আমির সেলিম উদ্দিনকেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণেও একাধিক নাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনসিপির পক্ষ থেকে দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নাম আলোচনায় রয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে ডাকসুর ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম)কে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করার কথা জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  পেনাংয়ের প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের সুযোগ চান হাইকমিশনার

অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বর্তমান প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

দলীয় নেতাদের মতে, তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ইশরাক হোসেনকে প্রার্থী করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। একই সঙ্গে হাবিব উন নবী খান সোহেল ও আব্দুস সালামের নামও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্থানীয় নির্বাচনে আলাদাভাবে লড়বে জামায়াত-এনসিপি

জাতীয় রাজনীতিতে ১১ দলীয় ঐক্যের অংশ হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি নিজেদের দলীয় শক্তিতে আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দলীয় প্রতীক না থাকা এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থী বাছাইয়ের বাস্তবতা বিবেচনায় জোটগতভাবে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে কোনো এলাকায় শরিক দলগুলোর মধ্যে স্থানীয় সমঝোতার মাধ্যমে একক প্রার্থী দেওয়া হলে কেন্দ্র থেকে আপত্তি থাকবে না।

আরও পড়ুনঃ  বেনজীর আমিরাতেই, দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অধিকাংশ প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা নেতারা ইতোমধ্যে দল সমর্থিত প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করছেন। দলের দাবি, স্থানীয় সরকারের প্রায় ৭৫ শতাংশ পদের প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে

সিটি করপোরেশনগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকাও প্রায় চূড়ান্ত। তবে সব স্তরের প্রার্থীর নাম একসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে চায় দলটি।

স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের কাছেও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরছে জামায়াত। সম্প্রতি দলটি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগসহ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে।

অন্যদিকে এনসিপিও এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করার পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামবেন বলে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নানকের সম্পদ ও অর্থ পাচার নিয়ে গুরুতর অভিযোগ, মাসে যাচ্ছে বিপুল অর্থ

স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনীতি, বিএনপিতে একাধিক প্রত্যাশী—প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

আপডেটের সময়: ০২:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও শুরু হয়েছে ব্যস্ততা। বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকারের ভোট আয়োজন। এরপর ধাপে ধাপে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজ নিজ প্রস্তুতি জোরদার করেছে। বিএনপিতে প্রায় প্রতিটি এলাকায় একাধিক নেতা সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করলেও জামায়াত অনেক এলাকায় আগেই সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করে মাঠে নামিয়েছে।

বিএনপিতে প্রার্থী বাছাইয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

সংশোধিত আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বা দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ নেই। তবে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে স্থানীয় পর্যায়ে একক প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিএনপি ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে। দলটির একাধিক সূত্রের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে প্রতি পদে গড়ে ৭ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত নেতা দলের সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত একজনকে বেছে নেওয়াই দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইরানের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি

ঢাকায় সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইয়ুম এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

অন্যদিকে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদে প্রার্থী করার বিষয়ে দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আমির সেলিম উদ্দিনকেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণেও একাধিক নাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনসিপির পক্ষ থেকে দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নাম আলোচনায় রয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে ডাকসুর ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম)কে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করার কথা জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা ২ জানুয়ারি, নেতৃত্বে শেকৃবি

অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বর্তমান প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

দলীয় নেতাদের মতে, তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ইশরাক হোসেনকে প্রার্থী করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। একই সঙ্গে হাবিব উন নবী খান সোহেল ও আব্দুস সালামের নামও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্থানীয় নির্বাচনে আলাদাভাবে লড়বে জামায়াত-এনসিপি

জাতীয় রাজনীতিতে ১১ দলীয় ঐক্যের অংশ হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি নিজেদের দলীয় শক্তিতে আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দলীয় প্রতীক না থাকা এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থী বাছাইয়ের বাস্তবতা বিবেচনায় জোটগতভাবে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে কোনো এলাকায় শরিক দলগুলোর মধ্যে স্থানীয় সমঝোতার মাধ্যমে একক প্রার্থী দেওয়া হলে কেন্দ্র থেকে আপত্তি থাকবে না।

আরও পড়ুনঃ  সংসদে বক্তব্যে বাধার অভিযোগ, ‘অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে’ বললেন রুমিন

অধিকাংশ প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা নেতারা ইতোমধ্যে দল সমর্থিত প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করছেন। দলের দাবি, স্থানীয় সরকারের প্রায় ৭৫ শতাংশ পদের প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে

সিটি করপোরেশনগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকাও প্রায় চূড়ান্ত। তবে সব স্তরের প্রার্থীর নাম একসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে চায় দলটি।

স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের কাছেও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরছে জামায়াত। সম্প্রতি দলটি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগসহ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে।

অন্যদিকে এনসিপিও এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করার পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামবেন বলে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন।