ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সংসদে আগের দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় বাধা এবং পরে গালাগালির অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিলের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
‘এ ধরনের আচরণ গণতান্ত্রিক সংসদে হয় না’
রুমিন ফারহানা বলেন, আগের দিন সংসদে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, তাতে সংসদে ভিন্নমত প্রকাশ বা নিজের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বক্তব্য দেওয়ার সময় বাধা দেওয়ার পাশাপাশি বক্তব্য শেষ করার পরও যে ধরনের আচরণ তিনি লক্ষ্য করেছেন, তা কোনো গণতান্ত্রিক দেশের সংসদীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
রুমিন অভিযোগ করেন, বক্তব্য দেওয়ার পর তার আশপাশে থাকা কয়েকজন সংসদ সদস্য তাকে ‘অকথ্য ভাষায়’ গালাগালি করেছেন। তার ভাষ্য, এ ধরনের আচরণ কোনো সংসদীয় রীতি-নীতির মধ্যে পড়ে না।
একাদশ সংসদের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন
রুমিন ফারহানা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাদশ সংসদেও তিনি একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। তখন বিএনপির পক্ষে একা দাঁড়িয়ে কথা বলার সময়ও তাকে এমন আচরণের শিকার হতে হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, কয়েক হাজার মানুষের প্রাণের বিনিময়ে ভোটের মাধ্যমে সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে যদি ন্যূনতম পরিবর্তনও না ঘটে, তাহলে বিরোধী দলের সদস্য হয়ে শুধু ‘না’ ভোট দেওয়ার জন্য সংসদে থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সংযত থাকার আহ্বান স্পিকারের
রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, আগের দিন যা হওয়ার হয়েছে। এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হবে।
স্পিকার আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সরকারি ও বিরোধী—উভয় দলের সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেওয়ার সময় সংযত থাকবেন এবং সংসদীয় পরিবেশ বজায় রাখবেন।
প্রতিবেদকের নাম 




















