ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মালয়েশিয়ায় ২৭ বাংলাদেশি আটক সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার তরুণ শিক্ষার্থীদের এআই-রোবটিক্সে দক্ষতা অর্জন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী জেদ্দায় মিসাইল আতঙ্কে ছুটোছুটি, সিঁড়ি থেকে পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, নিন্দা জানাই: জামায়াত আমির ইতালির বিনিয়োগ আকর্ষণে চামড়া খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা দাম্পত্যের ২০ বছর পূর্তিতে ফের ‘বিয়ে’ করলেন সুরিয়া-জ্যোতিকা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে মাদরাসাও আসবে মনিটরিংয়ের আওতায়: ববি হাজ্জাজ কুকুরের লালা কাপড়ে লাগলে কতবার ধুতে হবে? গাজাজুড়ে ঝুঁকিতে অন্তত দুই হাজার ভবন, নিখোঁজ শতাধিক: গাজার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

আনিসুল হক ও স্বার্থসংশ্লিষ্টদের ২৩ ব্যাংক হিসাবে ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:২৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ সময় দেখুন

সাবেক আইনমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আনিসুল হক এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৮১ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২৩টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা এবং ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এসব হিসাবে ৭৩৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুনঃ  দিল্লিতে পুতিন-মোদির বৈঠক, সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণ সাগর নিয়ে আলোচনা

১৭২ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য

দুদকের তদন্তে আনিসুল হকের নিজের নামে থাকা সম্পদের পাশাপাশি তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও তিন ব্যক্তির নামে থাকা সম্পদের তথ্যও উঠে এসেছে।

তদন্ত অনুযায়ী, আনিসুল হকের নামে ৯৬ কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮০ টাকা মূল্যের সম্পদ রয়েছে। পাশাপাশি তিন ব্যক্তির নামে আরও ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

সব মিলিয়ে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে দুদক।

আরও পড়ুনঃ  নানকের সম্পদ ও অর্থ পাচার নিয়ে গুরুতর অভিযোগ, মাসে যাচ্ছে বিপুল অর্থ

তিন ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন—

  • আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক—২৩ কোটি ৩২ লাখ ২ হাজার ৩২১ টাকা

  • তার ভাগ্নে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম—২০ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার ৪৪৪ টাকা

  • কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবাল—৪০ কোটি ১ লাখ ২৩ হাজার ২৩৬ টাকা

তদন্তে বলা হয়েছে, জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে সিটিজেনস ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার শেয়ার ও ১৩ কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে সিটিজেনস ব্যাংকের ২০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার এবং মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, নাগরিকের অধিকার’: জুবাইদা রহমান

যেসব আইনে অপরাধের তথ্য

দুদকের তদন্তে আনিসুল হক, জেবুন্নেসা বেগম হক কলি, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

তবে এসব তথ্য দুদকের তদন্তে পাওয়া অভিযোগ ও তথ্য; চূড়ান্তভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি এই প্রতিবেদনের তথ্য থেকে বলা যায় না।

 

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মালয়েশিয়ায় ২৭ বাংলাদেশি আটক

আনিসুল হক ও স্বার্থসংশ্লিষ্টদের ২৩ ব্যাংক হিসাবে ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন

আপডেটের সময়: ০৫:২৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক আইনমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আনিসুল হক এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৮১ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২৩টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা এবং ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এসব হিসাবে ৭৩৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুনঃ  দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি কবে থেকে, কত দিন?

১৭২ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য

দুদকের তদন্তে আনিসুল হকের নিজের নামে থাকা সম্পদের পাশাপাশি তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও তিন ব্যক্তির নামে থাকা সম্পদের তথ্যও উঠে এসেছে।

তদন্ত অনুযায়ী, আনিসুল হকের নামে ৯৬ কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮০ টাকা মূল্যের সম্পদ রয়েছে। পাশাপাশি তিন ব্যক্তির নামে আরও ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

সব মিলিয়ে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে দুদক।

আরও পড়ুনঃ  প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েও ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান ঢাবি শিক্ষার্থীর

তিন ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন—

  • আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক—২৩ কোটি ৩২ লাখ ২ হাজার ৩২১ টাকা

  • তার ভাগ্নে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম—২০ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার ৪৪৪ টাকা

  • কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবাল—৪০ কোটি ১ লাখ ২৩ হাজার ২৩৬ টাকা

তদন্তে বলা হয়েছে, জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে সিটিজেনস ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার শেয়ার ও ১৩ কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলামের নামে সিটিজেনস ব্যাংকের ২০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার এবং মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুনঃ  সুটকেসে না ধরায় প্রেমিকার মরদেহ দুই টুকরো, গ্রেপ্তার প্রেমিকসহ ৩

যেসব আইনে অপরাধের তথ্য

দুদকের তদন্তে আনিসুল হক, জেবুন্নেসা বেগম হক কলি, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

তবে এসব তথ্য দুদকের তদন্তে পাওয়া অভিযোগ ও তথ্য; চূড়ান্তভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি এই প্রতিবেদনের তথ্য থেকে বলা যায় না।