ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সড়ক নিরাপত্তার বার্তা দিতেন যারা, সড়ক দুর্ঘটনাতেই ঝরল তাঁদের প্রাণ বিয়ের ২০ দিনের মাথায় স্ত্রীর চলে যাওয়ার অভিযোগ, ‘মামাসহ’ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা চট্টগ্রামে নাশতা কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, ৯ দিন পর মৃত্যু পূজার ছুটি শেষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু, ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য আমি মাদরাসার বিপক্ষে নই, লেবাসধারী চরিত্রহীনদের বিরুদ্ধে: শাহজালাল রুমি মাদরাসায় অশালীন ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ধর্মমন্ত্রী চুমু দেওয়া একজন শিক্ষকের কাজ নয়: রাশেদ খান গাজীপুরে গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে, কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিট ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কা, বিশ্ববাজারে তেলের দামে নতুন রেকর্ড চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন হচ্ছে: আইজিপি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বিয়ের ২০ দিনের মাথায় স্ত্রীর চলে যাওয়ার অভিযোগ, ‘মামাসহ’ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা

জামালপুরের মেলান্দহে বিয়ের মাত্র ২০ দিনের মাথায় স্বর্ণালংকার নিয়ে বিএনপি নেতা সুজন মিয়ার স্ত্রী সুমি আক্তার তাঁর কথিত মামা এমদাদুল হক অরচনের সঙ্গে চলে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অরচন ও সুমিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে ওই দিন ভোররাতে জামালপুর পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে অরচনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমিকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিয়ের সময় দিয়েছিলেন প্রায় ৭ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার

গ্রেপ্তার এমদাদুল হক অরচন (৪৫) মেলান্দহ উপজেলার শাহজাদপুর এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি মেলান্দহ পৌরসভার বর্জ্যবাহী গাড়ির চালক হিসেবে কাজ করেন। সুমি আক্তার (২৭) কামদেববাড়ী এলাকার শাহিন মণ্ডলের মেয়ে। অন্যদিকে, সুজন মিয়া ঝাউগড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

আরও পড়ুনঃ  হাতিয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৫ হাজার কেজি লাল চিনি জব্দ

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর সুমি আক্তারের সঙ্গে সুজনের রেজিস্ট্রি কাবিনমূলে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় স্ত্রীকে দুটি স্বর্ণের আংটি, একটি চেইন, এক জোড়া বালা ও এক জোড়া কানের দুলসহ বিভিন্ন স্বর্ণালংকার দেন তিনি। এজাহারে এসব অলংকারের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

২০ অক্টোবর থেকে খোঁজ মিলছিল না স্ত্রীর

সুজনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সুমির কথিত মামা অরচন তাঁকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে আসছিলেন। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুজন বাড়িতে না থাকার সুযোগে অরচন সেখানে যান। এ সময় তিনি সুমিকে তাঁর বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ  আমি মাদরাসার বিপক্ষে নই, লেবাসধারী চরিত্রহীনদের বিরুদ্ধে: শাহজালাল রুমি

সুজনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর মা ছেলের বাড়ি ফেরার পর সুমিকে যেতে বললেও তিনি অরচনের সঙ্গে চলে যান। ওই রাতেই স্ত্রীর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে সেটি বন্ধ পান সুজন।

পরদিন ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠান তিনি। তবে সেখানে সুমিকে পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অরচনের সঙ্গে সুমির চলে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেন সুজন।

অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দুজন

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেন সুজন। পরে শুক্রবার ভোররাতে অরচনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জামালপুর পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে সুমিকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্নেস অয়েলের গুদামে আগুন, আধা ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

প্রতারণা ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‘এমনটা কল্পনাও করিনি’

ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে সুজন মিয়া বলেন, বিয়ের মাত্র ২০ দিনের মাথায় এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা তিনি কল্পনাও করেননি। অনেক আশা নিয়ে স্ত্রীকে ঘরে এনেছিলেন। বিয়ের সময় স্বর্ণালংকারও দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে তিনি ভেঙে পড়েছেন বলে জানান।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এমদাদুল হক অরচন ও সুমি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সড়ক নিরাপত্তার বার্তা দিতেন যারা, সড়ক দুর্ঘটনাতেই ঝরল তাঁদের প্রাণ

বিয়ের ২০ দিনের মাথায় স্ত্রীর চলে যাওয়ার অভিযোগ, ‘মামাসহ’ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা

আপডেটের সময়: ০৩:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

জামালপুরের মেলান্দহে বিয়ের মাত্র ২০ দিনের মাথায় স্বর্ণালংকার নিয়ে বিএনপি নেতা সুজন মিয়ার স্ত্রী সুমি আক্তার তাঁর কথিত মামা এমদাদুল হক অরচনের সঙ্গে চলে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অরচন ও সুমিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে ওই দিন ভোররাতে জামালপুর পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে অরচনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমিকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিয়ের সময় দিয়েছিলেন প্রায় ৭ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার

গ্রেপ্তার এমদাদুল হক অরচন (৪৫) মেলান্দহ উপজেলার শাহজাদপুর এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি মেলান্দহ পৌরসভার বর্জ্যবাহী গাড়ির চালক হিসেবে কাজ করেন। সুমি আক্তার (২৭) কামদেববাড়ী এলাকার শাহিন মণ্ডলের মেয়ে। অন্যদিকে, সুজন মিয়া ঝাউগড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

আরও পড়ুনঃ  সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্নেস অয়েলের গুদামে আগুন, আধা ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর সুমি আক্তারের সঙ্গে সুজনের রেজিস্ট্রি কাবিনমূলে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় স্ত্রীকে দুটি স্বর্ণের আংটি, একটি চেইন, এক জোড়া বালা ও এক জোড়া কানের দুলসহ বিভিন্ন স্বর্ণালংকার দেন তিনি। এজাহারে এসব অলংকারের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

২০ অক্টোবর থেকে খোঁজ মিলছিল না স্ত্রীর

সুজনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সুমির কথিত মামা অরচন তাঁকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে আসছিলেন। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুজন বাড়িতে না থাকার সুযোগে অরচন সেখানে যান। এ সময় তিনি সুমিকে তাঁর বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ  আওয়ামী লীগ পরিচয় দিলে ভিক্ষাও নিতেন না মকবুল, বার্ধক্যে মানবেতর জীবন

সুজনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর মা ছেলের বাড়ি ফেরার পর সুমিকে যেতে বললেও তিনি অরচনের সঙ্গে চলে যান। ওই রাতেই স্ত্রীর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে সেটি বন্ধ পান সুজন।

পরদিন ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠান তিনি। তবে সেখানে সুমিকে পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অরচনের সঙ্গে সুমির চলে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেন সুজন।

অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দুজন

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেন সুজন। পরে শুক্রবার ভোররাতে অরচনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জামালপুর পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে সুমিকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  এমপির বক্তব্যে হাততালি, পরে নিজেকে ‘বিএনপি নেতা’ বললেন ইউএনও

প্রতারণা ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‘এমনটা কল্পনাও করিনি’

ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে সুজন মিয়া বলেন, বিয়ের মাত্র ২০ দিনের মাথায় এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা তিনি কল্পনাও করেননি। অনেক আশা নিয়ে স্ত্রীকে ঘরে এনেছিলেন। বিয়ের সময় স্বর্ণালংকারও দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে তিনি ভেঙে পড়েছেন বলে জানান।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এমদাদুল হক অরচন ও সুমি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।