ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তোমাকে নিয়ে আমি গর্বিত: অর্চিতা স্পর্শিয়া স্বাস্থ্য খাতের ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডারে দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপা‌নের সামুদ্রিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে টহল জাহাজ দেবে জাপান চুল কাটার টাকা নিয়ে বিরোধ, ভালুকায় সেলুন ব্যবসায়ীকে হত্যা পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ চাকরির লক্ষ্য, ৪ মাসে এআই নীতিমালা ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, রোগী ও মরদেহ নিয়ে চরম ভোগান্তি শিক্ষিকার ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ছড়ানোর মামলা, ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুজন কারাগারে এমবাপ্পেকে ঘিরে বিতর্ক, চীনা দর্শকদের কাছে লা লিগার দুঃখ প্রকাশ ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ প্রভাবে ৫ দিন বৃষ্টি-বজ্রপাতের পূর্বাভাস
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বাবাকে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলে হাইকোর্টে খালাস

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৪০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ সময় দেখুন

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বাবাকে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শরিয়ত উল্লাহকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্বীকারোক্তির সত্যতা ও স্বেচ্ছায় দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন এবং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যের সঙ্গে অসংগতির কারণে আদালত এ রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স খারিজ করে আসামির আপিল মঞ্জুর করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ দিবাগত রাতে গফরগাঁওয়ের ডুবাইল গ্রামের নিজ বাড়িতে বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠে ছেলে শরিয়ত উল্লাহর বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, পছন্দের পাত্রীকে বিয়ে করাতে রাজি না হওয়ায় তিনি এ ঘটনা ঘটান। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে মা নাসিমা খাতুনও আহত হন।

আরও পড়ুনঃ  পিছিয়ে গেল এইচএসসির ফল প্রকাশ, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর

গুরুতর আহত বাবা-মাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন, ১৪ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ মারা যান। এর পর ১৫ মার্চ নিহতের আরেক ছেলে সাদিকুল্লাহ গফরগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুনঃ  ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন, সরকারের অবস্থান জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত শরিয়ত উল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দেন। নিয়ম অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামি।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ জানান, বিচারিক আদালত মূলত আসামির স্বীকারোক্তির ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন। তবে হাইকোর্টে আপিলের শুনানি শেষে আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইরান যুদ্ধকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বললেন ওবামা, পাল্টা আক্রমণ ট্রাম্পের

আইনজীবীর ভাষ্য, আসামির স্বীকারোক্তি সত্য ও স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। পাশাপাশি স্বীকারোক্তির সঙ্গে পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণের অসংগতি পাওয়া যায়। এ ছাড়া আসামির চাচা ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের কারণে তাঁকে মামলায় জড়ানো হয়েছিল বলে সাক্ষ্যপ্রমাণে উঠে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

হাইকোর্টের এ রায়ের ফলে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শরিয়ত উল্লাহ মামলাটিতে খালাস পেলেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

তোমাকে নিয়ে আমি গর্বিত: অর্চিতা স্পর্শিয়া

বাবাকে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলে হাইকোর্টে খালাস

আপডেটের সময়: ০৭:৪০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বাবাকে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শরিয়ত উল্লাহকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্বীকারোক্তির সত্যতা ও স্বেচ্ছায় দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন এবং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যের সঙ্গে অসংগতির কারণে আদালত এ রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স খারিজ করে আসামির আপিল মঞ্জুর করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ দিবাগত রাতে গফরগাঁওয়ের ডুবাইল গ্রামের নিজ বাড়িতে বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠে ছেলে শরিয়ত উল্লাহর বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, পছন্দের পাত্রীকে বিয়ে করাতে রাজি না হওয়ায় তিনি এ ঘটনা ঘটান। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে মা নাসিমা খাতুনও আহত হন।

আরও পড়ুনঃ  পিছিয়ে গেল এইচএসসির ফল প্রকাশ, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর

গুরুতর আহত বাবা-মাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন, ১৪ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ মারা যান। এর পর ১৫ মার্চ নিহতের আরেক ছেলে সাদিকুল্লাহ গফরগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাস নিয়ে ‘স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য, আদালতে আবু বকর বললেন—‘মজা করে বলেছি, ভুল হয়ে গেছে’

মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত শরিয়ত উল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দেন। নিয়ম অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামি।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ জানান, বিচারিক আদালত মূলত আসামির স্বীকারোক্তির ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন। তবে হাইকোর্টে আপিলের শুনানি শেষে আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল, টানা তৃতীয়বার বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলার

আইনজীবীর ভাষ্য, আসামির স্বীকারোক্তি সত্য ও স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। পাশাপাশি স্বীকারোক্তির সঙ্গে পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণের অসংগতি পাওয়া যায়। এ ছাড়া আসামির চাচা ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের কারণে তাঁকে মামলায় জড়ানো হয়েছিল বলে সাক্ষ্যপ্রমাণে উঠে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

হাইকোর্টের এ রায়ের ফলে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শরিয়ত উল্লাহ মামলাটিতে খালাস পেলেন।