Dhaka ০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাশিয়ায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত, হাসপাতালে আহত বন্ধু অভিষিক্ত দুই ব্যাটারের জোড়া ফিফটিতে মিরপুর টেস্টে সুবিধাজনক অবস্থানে পাকিস্তান ঘুম থেকে ওঠেবেন কখন? বিষাক্ত জেলি দিয়ে নকল দুধ তৈরির কারখানা, কৃষক দল নেতার বাড়িতে অভিযান আসামে ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও রোববার থেকে শুরু হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে আবারও কাউন্সিলর নির্বাচিত জগন্নাথপুরের অজন্তা দেব রায় পুলিশকে মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: রাষ্ট্রপতি ইরানের খারগ দ্বীপের কাছে বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে তেল নেইমারকে বিশ্বকাপে দেখতে চান মেসি, বললেন—“সে সবসময় সেরাদের একজন”

অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামের পথে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ, মায়ের কান্নায় ভারী বিমানবন্দর

 

যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে নেওয়া হচ্ছে। স্বপ্নভরা সেই মেয়েকে একদিন বিদায় দিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠালেও এবার কফিনবন্দি মরদেহ গ্রহণ করতে হলো পরিবারের সদস্যদের।

শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি মাদারীপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। এ সময় বাবা-মা, ভাই, নানা, মামাসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ১০ শর্তে বিশ্বকাপে খেলতে রাজি ইরান

মরদেহ গ্রহণের পর বিমানবন্দর এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কফিন ছুঁয়ে স্বজনরা শেষবারের মতো বিদায় জানান বৃষ্টিকে। বিশেষ করে মায়ের আহাজারি থামছিল না; বারবার মেয়ের নাম ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার সম্ভাবনা, উত্তেজনা কমাতে নতুন উদ্যোগ

এর আগে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। মরদেহ গ্রহণে বিমানবন্দরে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ সরাসরি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে এবং সেখানে বাদ আসর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  “হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় হর্ন বন্ধে বিআরটিএর নির্দেশ”

এ সময় পররাষ্ট্র সচিব জানান, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বৃষ্টির অকাল মৃত্যুতে পরিবারের শোক, কান্না ও শূন্যতা যেন থামছেই না—গ্রামের পথে শেষ যাত্রায় সঙ্গী শুধু নিথর কফিন আর ভেঙে পড়া স্বজনদের আহাজারি।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাশিয়ায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত, হাসপাতালে আহত বন্ধু

অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামের পথে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ, মায়ের কান্নায় ভারী বিমানবন্দর

আপডেটের সময়: ১১:২৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে নেওয়া হচ্ছে। স্বপ্নভরা সেই মেয়েকে একদিন বিদায় দিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠালেও এবার কফিনবন্দি মরদেহ গ্রহণ করতে হলো পরিবারের সদস্যদের।

শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি মাদারীপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। এ সময় বাবা-মা, ভাই, নানা, মামাসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  টিকা সংকট ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় হামের ভয়াবহতা, একদিনে ১৭ শিশুর মৃত্যু

মরদেহ গ্রহণের পর বিমানবন্দর এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কফিন ছুঁয়ে স্বজনরা শেষবারের মতো বিদায় জানান বৃষ্টিকে। বিশেষ করে মায়ের আহাজারি থামছিল না; বারবার মেয়ের নাম ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  হরমুজ সংকটে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে

এর আগে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। মরদেহ গ্রহণে বিমানবন্দরে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ সরাসরি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে এবং সেখানে বাদ আসর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এ সময় পররাষ্ট্র সচিব জানান, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বৃষ্টির অকাল মৃত্যুতে পরিবারের শোক, কান্না ও শূন্যতা যেন থামছেই না—গ্রামের পথে শেষ যাত্রায় সঙ্গী শুধু নিথর কফিন আর ভেঙে পড়া স্বজনদের আহাজারি।