Dhaka ০৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মার্কিন সেনাদের আবাসনে পর্যটকদের বুকিং বাতিল, চাপে ইসরায়েলের পর্যটন খাত ইরানের ‘ফ্যান্টাস্টিক থ্রি’: কেন আতঙ্কে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আড়াল থেকেই যুদ্ধ-কৌশলে সক্রিয় মোজতবা খামেনি: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা ধর্মীয় টার্গেটিং বন্ধে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জামায়াত আমিরের কোয়ালিটি এডুকেশনে গুরুত্ব, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গঠনে কাজ করছে সরকার গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২১ দিন পর উৎপাদনে ফিরেছে ডিএপি সার কারখানা রিয়ালে ফিরতে মরিনিওর ১০ শর্ত, চাপে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জুলাই শহীদ পরিবারের ক্ষোভের মুখে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম আজ ‘রাত জাগার দিন’: নীরব রাতকে উপভোগের বিশেষ উপলক্ষ

অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামের পথে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ, মায়ের কান্নায় ভারী বিমানবন্দর

 

যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে নেওয়া হচ্ছে। স্বপ্নভরা সেই মেয়েকে একদিন বিদায় দিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠালেও এবার কফিনবন্দি মরদেহ গ্রহণ করতে হলো পরিবারের সদস্যদের।

শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি মাদারীপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। এ সময় বাবা-মা, ভাই, নানা, মামাসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  শুভেন্দু অধিকারীর শপথে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার, মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন পাঁচজন

মরদেহ গ্রহণের পর বিমানবন্দর এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কফিন ছুঁয়ে স্বজনরা শেষবারের মতো বিদায় জানান বৃষ্টিকে। বিশেষ করে মায়ের আহাজারি থামছিল না; বারবার মেয়ের নাম ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে বিএনপি নেতার অভিনন্দন, তিস্তা ইস্যুতে নতুন আশার কথা”

এর আগে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। মরদেহ গ্রহণে বিমানবন্দরে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ সরাসরি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে এবং সেখানে বাদ আসর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্র কেন প্রকৌশলীদের পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছে না

এ সময় পররাষ্ট্র সচিব জানান, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বৃষ্টির অকাল মৃত্যুতে পরিবারের শোক, কান্না ও শূন্যতা যেন থামছেই না—গ্রামের পথে শেষ যাত্রায় সঙ্গী শুধু নিথর কফিন আর ভেঙে পড়া স্বজনদের আহাজারি।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মার্কিন সেনাদের আবাসনে পর্যটকদের বুকিং বাতিল, চাপে ইসরায়েলের পর্যটন খাত

অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামের পথে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ, মায়ের কান্নায় ভারী বিমানবন্দর

আপডেটের সময়: ১১:২৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে নেওয়া হচ্ছে। স্বপ্নভরা সেই মেয়েকে একদিন বিদায় দিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠালেও এবার কফিনবন্দি মরদেহ গ্রহণ করতে হলো পরিবারের সদস্যদের।

শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি মাদারীপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। এ সময় বাবা-মা, ভাই, নানা, মামাসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  “কুমিল্লায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবার বলছে ‘হত্যা’”

মরদেহ গ্রহণের পর বিমানবন্দর এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কফিন ছুঁয়ে স্বজনরা শেষবারের মতো বিদায় জানান বৃষ্টিকে। বিশেষ করে মায়ের আহাজারি থামছিল না; বারবার মেয়ের নাম ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের মায়ের দাফন সম্পন্ন

এর আগে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। মরদেহ গ্রহণে বিমানবন্দরে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ সরাসরি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে এবং সেখানে বাদ আসর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  দেশের স্বার্থে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করবে সেনাবাহিনী: সামরিক উপদেষ্টা

এ সময় পররাষ্ট্র সচিব জানান, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বৃষ্টির অকাল মৃত্যুতে পরিবারের শোক, কান্না ও শূন্যতা যেন থামছেই না—গ্রামের পথে শেষ যাত্রায় সঙ্গী শুধু নিথর কফিন আর ভেঙে পড়া স্বজনদের আহাজারি।