ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঘন কুয়াশায় এফএ কাপের ম্যাচ, বলই দেখতে পাচ্ছিলেন না ধারাভাষ্যকাররা নেতানিয়াহুকে পাশ কাটিয়ে ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকট আইসিডিডিআরবিতে চিকিৎসক নিয়োগ, মাসিক বেতন প্রায় ৯৬ হাজার টাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ-সড়ক অবরোধ, বন্ধ দুই রুটের ট্রেন চলাচল ভ্যালেন্সিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বার্সার সমান পয়েন্টে রিয়াল মিরপুরে মেট্রো স্টেশনের নিচে বাসে আগুন, হতাহতের খবর নেই গভীর রাতে শেকৃবি ক্যাম্পাসে পরপর দুই ককটেল বিস্ফোরণ বিশেষ ভোটেই নির্ধারিত হবে নিউজিল্যান্ডের পরবর্তী সরকার তিন দিনের সফরে সোমবার ঢাকায় আসছেন ডাচেস অব এডিনবরা ওমান উপসাগরে জ্বলন্ত জাহাজ থেকে ২২ ক্রুকে উদ্ধার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জ্বালানি সংকট: বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে বিতর্ক

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১২:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪৮ সময় দেখুন

স্টাফ রিপোর্টার .  জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কোন বিধিতে এ বিষয়ে আলোচনা হবে—তা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত সরকারি দল ও বিরোধী দল সমঝোতায় পৌঁছেছে। নিয়মিত কার্যক্রম মুলতবি না করে আগামী তিন দিনের মধ্যে এক ঘণ্টা এ বিষয়ে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সংসদে অনির্ধারিত এ বিতর্কের এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ মার্চ জ্বালানিমন্ত্রীর দেওয়া বিবৃতির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের কোনো সংকট নেই, সেটা পরিসংখ্যান দিয়ে দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘জ্বালানিমন্ত্রী সংসদে ৩০০ বিধিতে যে বিবৃতি দিয়েছেন, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো সংকট নেই—এটা আসলে সংসদের ভেতরে নেই। সংকটটা সংসদের বাইরে।’

মূলত বিরোধীদলীয় নেতার একটি মুলতবি প্রস্তাবের নোটিশ থেকে এ বিতর্কের সূচনা হয়। জ্বালানিসংকট ও এর প্রভাবে জনজীবনে সৃষ্ট সমস্যার ওপর আলোচনা চেয়ে ওই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। একই ধরনের প্রস্তাব দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের নুরুল ইসলামও।

আরও পড়ুনঃ  ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, টানা অবকাশের সুযোগ কখন?

তবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল প্রস্তাব দুটি গ্রহণ না করে বলেন, “ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিভিন্ন বিধিতে আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্টমন্ত্রী ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দিয়েছেন। এরপরও আলোচনা করতে হলে যথাযথ বিধিতে নোটিশ আনতে হবে।’

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘যদি এই সুযোগই দেওয়া না হয়, তাহলে আমরা কী ধরে নেব? আমরা ধরে নেব যে জনজীবনে যে প্রবলেমটা সবচেয়ে বার্নিং, সেটা নিয়ে এই সংসদে আলোচনা করতে পারলাম না। এটা কি আমাদের জন্য একটা দুর্ভাগ্য হবে না?’

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ‘সেই বিবৃতি দিয়ে কী হবে? এই বিবৃতিতে কী সমস্যার সমাধান হবে? একদিকে বলা হচ্ছে, তেলের কোনো সংকট নেই। আরেক দিকে বাস্তবে যেটা ঘটছে, তা সম্পূর্ণ ভিন্ন।’

বিরোধী দলের কোনো নোটিশ বিবেচনায় নেওয়া না হলে তারা সংসদে থাকবেন কেন—এমন প্রশ্ন রেখে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণের প্রয়োজন পূরণ করতে না পারলে সংসদে থাকার স্বার্থকতা নেই। সংসদের প্রতিটি সেকেন্ডে জনগণের টাকা খরচ হচ্ছে। তিনি তার নোটিশটি দু–এক দিন পর আলোচনার জন্য নির্ধারণ করার অনুরোধ করেন।

আরও পড়ুনঃ  মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবটি অবশ্যই আলোচনার যোগ্য। এটি জাতীয় জীবনে জরুরি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও বটে। অধিবেশনের কার্যক্রম মুলতবি না করে অন্যভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে খুব বেশি হলে দু-চারবার মূলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চলতি সংসদের প্রথম অধিবেশনে দুটি মূলতবি প্রস্তাব আলোচনা হয়েছে। এটা ইতিহাসে অনন্য নজির। আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হলে ভবিষ্যতে এটা অনুসরণ করার চেষ্টা করা হবে। তিনি জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ ধারায় নোটিশ দেওয়া বা ৬৮ বিধি অনুযায়ী আলোচনা করার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে মত দেন।

জ্বালানিমন্ত্রীর বিবৃতির কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রীর ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দেওয়ার পরে এবং দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছেন, সেটা জাতির কাছে পরিষ্কার…আমাদের দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের কোনো সংকট নেই। সেটা আমরা পরিসংখ্যান দিয়ে দেখিয়েছি। মন্ত্রী দেখিয়েছেন।’

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকায় হঠাৎ উত্তেজনা, মহাসড়কে কী ঘটল

সহনীয় মাত্রায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একেবারে শেষের দিকে এসে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্য বা পাচার বন্ধ করতে সরকার তেলের দাম কিছুটা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।

এর জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুব সুন্দর করেই বলেছেন, কোনো সংকট নেই। কিন্তু সংকটটা সংসদের বাইরে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সংকট আছে বলেই জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য হাইকোর্টের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় দুই দিন ভার্চ্যুয়ালি কোর্ট বসছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সংকটটা সরকারের সৃষ্টি নয়, এটি বৈশ্বিক বিষয়—আমরা তা বুঝি। কিন্তু সব দায়িত্ব যদি সরকারি দলই পালন করে, তাহলে বিরোধী দলের ভূমিকা কোথায়?’

পরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘সংসদের কার্যক্রম মুলতবি না করেও আধা ঘণ্টার জায়গায় এক–দেড় ঘণ্টা আলোচনা হতে পারে।’ এতে সম্মতি জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তারা নোটিশ দেবেন, তবে সংসদ নেতার উপস্থিতিতে আলোচনা চান।

শেষে স্পিকার জানান, ‘বিরোধীদলীয় নেতা নোটিশ দিলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অর্থবহ আলোচনার জন্য যা করণীয়, সংসদ তা করবে।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ঘন কুয়াশায় এফএ কাপের ম্যাচ, বলই দেখতে পাচ্ছিলেন না ধারাভাষ্যকাররা

জ্বালানি সংকট: বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে বিতর্ক

আপডেটের সময়: ১২:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার .  জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কোন বিধিতে এ বিষয়ে আলোচনা হবে—তা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত সরকারি দল ও বিরোধী দল সমঝোতায় পৌঁছেছে। নিয়মিত কার্যক্রম মুলতবি না করে আগামী তিন দিনের মধ্যে এক ঘণ্টা এ বিষয়ে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সংসদে অনির্ধারিত এ বিতর্কের এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ মার্চ জ্বালানিমন্ত্রীর দেওয়া বিবৃতির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের কোনো সংকট নেই, সেটা পরিসংখ্যান দিয়ে দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘জ্বালানিমন্ত্রী সংসদে ৩০০ বিধিতে যে বিবৃতি দিয়েছেন, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো সংকট নেই—এটা আসলে সংসদের ভেতরে নেই। সংকটটা সংসদের বাইরে।’

মূলত বিরোধীদলীয় নেতার একটি মুলতবি প্রস্তাবের নোটিশ থেকে এ বিতর্কের সূচনা হয়। জ্বালানিসংকট ও এর প্রভাবে জনজীবনে সৃষ্ট সমস্যার ওপর আলোচনা চেয়ে ওই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। একই ধরনের প্রস্তাব দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের নুরুল ইসলামও।

আরও পড়ুনঃ  কপ৩১ সম্মেলনে ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ

তবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল প্রস্তাব দুটি গ্রহণ না করে বলেন, “ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিভিন্ন বিধিতে আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্টমন্ত্রী ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দিয়েছেন। এরপরও আলোচনা করতে হলে যথাযথ বিধিতে নোটিশ আনতে হবে।’

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘যদি এই সুযোগই দেওয়া না হয়, তাহলে আমরা কী ধরে নেব? আমরা ধরে নেব যে জনজীবনে যে প্রবলেমটা সবচেয়ে বার্নিং, সেটা নিয়ে এই সংসদে আলোচনা করতে পারলাম না। এটা কি আমাদের জন্য একটা দুর্ভাগ্য হবে না?’

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ‘সেই বিবৃতি দিয়ে কী হবে? এই বিবৃতিতে কী সমস্যার সমাধান হবে? একদিকে বলা হচ্ছে, তেলের কোনো সংকট নেই। আরেক দিকে বাস্তবে যেটা ঘটছে, তা সম্পূর্ণ ভিন্ন।’

বিরোধী দলের কোনো নোটিশ বিবেচনায় নেওয়া না হলে তারা সংসদে থাকবেন কেন—এমন প্রশ্ন রেখে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণের প্রয়োজন পূরণ করতে না পারলে সংসদে থাকার স্বার্থকতা নেই। সংসদের প্রতিটি সেকেন্ডে জনগণের টাকা খরচ হচ্ছে। তিনি তার নোটিশটি দু–এক দিন পর আলোচনার জন্য নির্ধারণ করার অনুরোধ করেন।

আরও পড়ুনঃ  মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবটি অবশ্যই আলোচনার যোগ্য। এটি জাতীয় জীবনে জরুরি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও বটে। অধিবেশনের কার্যক্রম মুলতবি না করে অন্যভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে খুব বেশি হলে দু-চারবার মূলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চলতি সংসদের প্রথম অধিবেশনে দুটি মূলতবি প্রস্তাব আলোচনা হয়েছে। এটা ইতিহাসে অনন্য নজির। আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হলে ভবিষ্যতে এটা অনুসরণ করার চেষ্টা করা হবে। তিনি জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ ধারায় নোটিশ দেওয়া বা ৬৮ বিধি অনুযায়ী আলোচনা করার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে মত দেন।

জ্বালানিমন্ত্রীর বিবৃতির কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রীর ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দেওয়ার পরে এবং দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছেন, সেটা জাতির কাছে পরিষ্কার…আমাদের দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের কোনো সংকট নেই। সেটা আমরা পরিসংখ্যান দিয়ে দেখিয়েছি। মন্ত্রী দেখিয়েছেন।’

আরও পড়ুনঃ  আর্টিলারি রেজিমেন্টের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, আধুনিকায়নে গুরুত্ব দিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

সহনীয় মাত্রায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একেবারে শেষের দিকে এসে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্য বা পাচার বন্ধ করতে সরকার তেলের দাম কিছুটা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।

এর জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুব সুন্দর করেই বলেছেন, কোনো সংকট নেই। কিন্তু সংকটটা সংসদের বাইরে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সংকট আছে বলেই জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য হাইকোর্টের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় দুই দিন ভার্চ্যুয়ালি কোর্ট বসছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সংকটটা সরকারের সৃষ্টি নয়, এটি বৈশ্বিক বিষয়—আমরা তা বুঝি। কিন্তু সব দায়িত্ব যদি সরকারি দলই পালন করে, তাহলে বিরোধী দলের ভূমিকা কোথায়?’

পরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘সংসদের কার্যক্রম মুলতবি না করেও আধা ঘণ্টার জায়গায় এক–দেড় ঘণ্টা আলোচনা হতে পারে।’ এতে সম্মতি জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তারা নোটিশ দেবেন, তবে সংসদ নেতার উপস্থিতিতে আলোচনা চান।

শেষে স্পিকার জানান, ‘বিরোধীদলীয় নেতা নোটিশ দিলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অর্থবহ আলোচনার জন্য যা করণীয়, সংসদ তা করবে।’