ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রোলেক্স হাতে আপ্লুত শাকিব বললেন— ‘এটা এখন অমূল্য’ পুঠিয়ায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, ৬ দিন পর মামলা নিল পুলিশ মেসিকে দলে নেওয়ার ‘রসিকতা’ করলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট স্ত্রী আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা জোভান, জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা মহাখালীতে ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; আটক ৩ ব্যাংক খাতে বড় ধস, লোকসান বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ‘ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ’ প্রতিনিধিদলের বৈঠক “সবার আগে বগুড়া নয়, সবার আগে বাংলাদেশ”— সংসদে এনসিপি এমপির বক্তব্য বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছে ইসরায়েল, দাবি ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ব্যাংক খাতে বড় ধস, লোকসান বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশের ব্যাংক খাতে আর্থিক অবস্থার বড় ধরনের অবনতির চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে। এতে দেখা যায়, কয়েকটি বড় দুর্বল ব্যাংকের বিপুল লোকসানের কারণে পুরো খাত ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা লোকসানে পড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি ও মাসিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ব্যাংক খাতে নিট মুনাফা ছিল ১৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে তা বেড়ে ১৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকায় পৌঁছায়। তবে ২০২৪ সালে মুনাফা কমে ১২ হাজার ১৫৮ কোটি টাকায় নেমে আসে এবং ২০২৫ সালে পুরো খাত লোকসানে চলে যায়।

আরও পড়ুনঃ  মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য ঘিরে সংসদে জামায়াত এমপিকে নিয়ে বিতর্ক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংক খাত সংস্কার কর্মসূচির আওতায় কয়েকটি ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান যাচাই (AQR) করা হয়েছে। এতে একাধিক ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক দুর্বলতা প্রকাশ পায় এবং কয়েকটি ব্যাংক একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

ব্যাংকগুলোর পৃথক প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত বছর ১০টি ব্যাংক মিলিয়ে বিপুল লোকসান হলেও কিছু লাভজনক ব্যাংকের মুনাফার কারণে মোট লোকসান কিছুটা কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকায়।

আরও পড়ুনঃ  জামালপুরে যমুনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান চলছে

সবচেয়ে বেশি লোকসানে রয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক। পাশাপাশি জনতা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকও লোকসানে রয়েছে।

অন্যদিকে বহুজাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং দেশীয় ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক তুলনামূলক ভালো মুনাফা করেছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘কবরে জীবিত’ গুজবে ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের প্রায় ৫৯ শতাংশ বর্তমানে ‘দুর্দশাগ্রস্ত’ বা ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে বিবেচিত, যার পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না হওয়া বা আয় না আসা ঋণগুলোকে সাধারণভাবে ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে ধরা হয়, যা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রোলেক্স হাতে আপ্লুত শাকিব বললেন— ‘এটা এখন অমূল্য’

ব্যাংক খাতে বড় ধস, লোকসান বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন

আপডেটের সময়: ০৯:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

দেশের ব্যাংক খাতে আর্থিক অবস্থার বড় ধরনের অবনতির চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে। এতে দেখা যায়, কয়েকটি বড় দুর্বল ব্যাংকের বিপুল লোকসানের কারণে পুরো খাত ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা লোকসানে পড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি ও মাসিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ব্যাংক খাতে নিট মুনাফা ছিল ১৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে তা বেড়ে ১৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকায় পৌঁছায়। তবে ২০২৪ সালে মুনাফা কমে ১২ হাজার ১৫৮ কোটি টাকায় নেমে আসে এবং ২০২৫ সালে পুরো খাত লোকসানে চলে যায়।

আরও পড়ুনঃ  ক্যান্সার রোগে মৃত বুলবুল আহম্মেদের পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করলো ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংক খাত সংস্কার কর্মসূচির আওতায় কয়েকটি ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান যাচাই (AQR) করা হয়েছে। এতে একাধিক ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক দুর্বলতা প্রকাশ পায় এবং কয়েকটি ব্যাংক একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

ব্যাংকগুলোর পৃথক প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত বছর ১০টি ব্যাংক মিলিয়ে বিপুল লোকসান হলেও কিছু লাভজনক ব্যাংকের মুনাফার কারণে মোট লোকসান কিছুটা কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকায়।

আরও পড়ুনঃ  মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য ঘিরে সংসদে জামায়াত এমপিকে নিয়ে বিতর্ক

সবচেয়ে বেশি লোকসানে রয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক। পাশাপাশি জনতা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকও লোকসানে রয়েছে।

অন্যদিকে বহুজাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং দেশীয় ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক তুলনামূলক ভালো মুনাফা করেছে।

আরও পড়ুনঃ  রোলেক্স হাতে আপ্লুত শাকিব বললেন— ‘এটা এখন অমূল্য’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের প্রায় ৫৯ শতাংশ বর্তমানে ‘দুর্দশাগ্রস্ত’ বা ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে বিবেচিত, যার পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না হওয়া বা আয় না আসা ঋণগুলোকে সাধারণভাবে ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে ধরা হয়, যা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।