ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চরম মানসিক চাপে মার্কিন নৌসেনারা ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু, আহত ২ গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে চালকদের অবরোধ বগুড়ায় নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে তৈরি ৩০ কেজি জিলাপি ধ্বংস নিজেদের স্বার্থেই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত: রিজভী গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে কারখানায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে উৎপাদন দিল্লির আমন্ত্রণে তারেক রহমান কি ভারত সফরে যাবেন?
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ব্যাংক খাতে বড় ধস, লোকসান বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৩৩ সময় দেখুন

দেশের ব্যাংক খাতে আর্থিক অবস্থার বড় ধরনের অবনতির চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে। এতে দেখা যায়, কয়েকটি বড় দুর্বল ব্যাংকের বিপুল লোকসানের কারণে পুরো খাত ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা লোকসানে পড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি ও মাসিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ব্যাংক খাতে নিট মুনাফা ছিল ১৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে তা বেড়ে ১৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকায় পৌঁছায়। তবে ২০২৪ সালে মুনাফা কমে ১২ হাজার ১৫৮ কোটি টাকায় নেমে আসে এবং ২০২৫ সালে পুরো খাত লোকসানে চলে যায়।

আরও পড়ুনঃ  নির্মাণের আড়াই বছর পর যাত্রা শুরু রংপুর বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংক খাত সংস্কার কর্মসূচির আওতায় কয়েকটি ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান যাচাই (AQR) করা হয়েছে। এতে একাধিক ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক দুর্বলতা প্রকাশ পায় এবং কয়েকটি ব্যাংক একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

ব্যাংকগুলোর পৃথক প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত বছর ১০টি ব্যাংক মিলিয়ে বিপুল লোকসান হলেও কিছু লাভজনক ব্যাংকের মুনাফার কারণে মোট লোকসান কিছুটা কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকায়।

আরও পড়ুনঃ  জাহান্নামের দরজা ‘দারবাজা গ্যাস কূপ’

সবচেয়ে বেশি লোকসানে রয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক। পাশাপাশি জনতা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকও লোকসানে রয়েছে।

অন্যদিকে বহুজাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং দেশীয় ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক তুলনামূলক ভালো মুনাফা করেছে।

আরও পড়ুনঃ  মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে পরবর্তী ধাপে যোগ দিতে পারে মিসর

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের প্রায় ৫৯ শতাংশ বর্তমানে ‘দুর্দশাগ্রস্ত’ বা ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে বিবেচিত, যার পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না হওয়া বা আয় না আসা ঋণগুলোকে সাধারণভাবে ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে ধরা হয়, যা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চরম মানসিক চাপে মার্কিন নৌসেনারা

ব্যাংক খাতে বড় ধস, লোকসান বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন

আপডেটের সময়: ০৯:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

দেশের ব্যাংক খাতে আর্থিক অবস্থার বড় ধরনের অবনতির চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে। এতে দেখা যায়, কয়েকটি বড় দুর্বল ব্যাংকের বিপুল লোকসানের কারণে পুরো খাত ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা লোকসানে পড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি ও মাসিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ব্যাংক খাতে নিট মুনাফা ছিল ১৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে তা বেড়ে ১৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকায় পৌঁছায়। তবে ২০২৪ সালে মুনাফা কমে ১২ হাজার ১৫৮ কোটি টাকায় নেমে আসে এবং ২০২৫ সালে পুরো খাত লোকসানে চলে যায়।

আরও পড়ুনঃ  কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, প্রাণহানি বেড়ে ১১১

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংক খাত সংস্কার কর্মসূচির আওতায় কয়েকটি ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান যাচাই (AQR) করা হয়েছে। এতে একাধিক ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক দুর্বলতা প্রকাশ পায় এবং কয়েকটি ব্যাংক একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

ব্যাংকগুলোর পৃথক প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত বছর ১০টি ব্যাংক মিলিয়ে বিপুল লোকসান হলেও কিছু লাভজনক ব্যাংকের মুনাফার কারণে মোট লোকসান কিছুটা কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকায়।

আরও পড়ুনঃ  চার সংকটে বিদ্যুৎ খাত, রেকর্ড লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি

সবচেয়ে বেশি লোকসানে রয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক। পাশাপাশি জনতা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকও লোকসানে রয়েছে।

অন্যদিকে বহুজাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং দেশীয় ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক তুলনামূলক ভালো মুনাফা করেছে।

আরও পড়ুনঃ  মেঘনায় ঘূর্ণিস্রোতে সাড়ে ৪ হাজার বস্তা সিমেন্টসহ ট্রলার ডুবি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের প্রায় ৫৯ শতাংশ বর্তমানে ‘দুর্দশাগ্রস্ত’ বা ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে বিবেচিত, যার পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না হওয়া বা আয় না আসা ঋণগুলোকে সাধারণভাবে ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে ধরা হয়, যা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।