ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সমালোচনার মুখে টিকটক লাইভে তরুণীর মৃত্যু, ঘিরে চাঞ্চল্য বিসিবির লেভেল-২ কোচিং কোর্সে পাস মাত্র ৮, ফেল ২৪ স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসার সুযোগ থাকবে না: অর্থমন্ত্রী আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা চাঁদপুরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩ ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ পাটকল চালু হচ্ছে, কর্মসংস্থান হবে ১১ হাজারের বেশি তিক্ততা ভুলে দুই প্রতিবেশীর এগিয়ে যাওয়ার বার্তা রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জাহান্নামের দরজা ‘দারবাজা গ্যাস কূপ’

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৪৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১ সময় দেখুন

তুর্কমেনিস্তানের কারাকুম মরুভূমির দারবাজা গ্রামে রয়েছে এক বিশাল জ্বলন্ত গ্যাসগর্ত, যা দীর্ঘদিন ধরে ‘জাহান্নামের দরজা’ নামে পরিচিত। আগুনে জ্বলতে থাকা এই গর্তটি দেশটির অন্যতম আলোচিত পর্যটন আকর্ষণ।

দারবাজা অঞ্চলটি প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ। ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ভূতত্ত্ববিদেরা সেখানে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধানে খননকাজ চালানোর সময় হঠাৎ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৭০ মিটার গভীর একটি গর্ত তৈরি হয় এবং খননযন্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম গর্তের মধ্যে পড়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  এসএসসির ফলাফলে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫-এও ব্যবধান

ভূমিধসের পর গর্ত থেকে বিপুল পরিমাণ মিথেন গ্যাস বের হতে থাকে। গ্যাসের কারণে আশপাশের পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকাতে বিজ্ঞানীরা গ্যাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের ধারণা ছিল, কয়েক দিনের মধ্যেই গ্যাস শেষ হয়ে আগুন নিভে যাবে।

আরও পড়ুনঃ  সালমান শাহ হত্যা মামলা: গ্রেপ্তার অভিনেতা ডন হক, আদালতে নেওয়ার প্রস্তুতি

কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। আগুন দীর্ঘ সময় ধরে জ্বলতে থাকে এবং ধীরে ধীরে দারবাজার এই গ্যাসগর্ত ‘জাহান্নামের দরজা’ নামে পরিচিতি পায়।

২০১০ সালে তৎকালীন তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্ট গর্তটি পরিদর্শন করে আগুন নেভানো এবং সেখান থেকে গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। তবে গর্তটি পুরোপুরি বন্ধ করা ও আগুন নেভানোর বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে বেশ জটিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  চকরিয়ায় ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা নিহত

দীর্ঘদিন ধরে জ্বলতে থাকা এই গ্যাসগর্ত এখন তুর্কমেনিস্তানের অন্যতম পরিচিত পর্যটনস্থলে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আগুনের বিশাল শিখা ও মরুভূমির অন্ধকার পরিবেশ এটিকে একটি অনন্য দৃশ্যে পরিণত করে।

‘জাহান্নামের দরজা’ নামটি ধর্মীয় কোনো স্থানের পরিচয় নয়; এটি মূলত গর্তটির ভয়াবহ চেহারা ও দীর্ঘস্থায়ী আগুনকে ঘিরে তৈরি হওয়া একটি জনপ্রিয় উপাধি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সমালোচনার মুখে টিকটক লাইভে তরুণীর মৃত্যু, ঘিরে চাঞ্চল্য

জাহান্নামের দরজা ‘দারবাজা গ্যাস কূপ’

আপডেটের সময়: ০৬:৪৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

তুর্কমেনিস্তানের কারাকুম মরুভূমির দারবাজা গ্রামে রয়েছে এক বিশাল জ্বলন্ত গ্যাসগর্ত, যা দীর্ঘদিন ধরে ‘জাহান্নামের দরজা’ নামে পরিচিত। আগুনে জ্বলতে থাকা এই গর্তটি দেশটির অন্যতম আলোচিত পর্যটন আকর্ষণ।

দারবাজা অঞ্চলটি প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ। ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ভূতত্ত্ববিদেরা সেখানে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধানে খননকাজ চালানোর সময় হঠাৎ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৭০ মিটার গভীর একটি গর্ত তৈরি হয় এবং খননযন্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম গর্তের মধ্যে পড়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  সৌদি কারখানায় আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রীর শোক

ভূমিধসের পর গর্ত থেকে বিপুল পরিমাণ মিথেন গ্যাস বের হতে থাকে। গ্যাসের কারণে আশপাশের পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকাতে বিজ্ঞানীরা গ্যাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের ধারণা ছিল, কয়েক দিনের মধ্যেই গ্যাস শেষ হয়ে আগুন নিভে যাবে।

আরও পড়ুনঃ  বাগেরহাট হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, দগ্ধ চালক; পুড়ল ৮ মোটরসাইকেল

কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। আগুন দীর্ঘ সময় ধরে জ্বলতে থাকে এবং ধীরে ধীরে দারবাজার এই গ্যাসগর্ত ‘জাহান্নামের দরজা’ নামে পরিচিতি পায়।

২০১০ সালে তৎকালীন তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্ট গর্তটি পরিদর্শন করে আগুন নেভানো এবং সেখান থেকে গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। তবে গর্তটি পুরোপুরি বন্ধ করা ও আগুন নেভানোর বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে বেশ জটিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  এসএসসির ফলাফলে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫-এও ব্যবধান

দীর্ঘদিন ধরে জ্বলতে থাকা এই গ্যাসগর্ত এখন তুর্কমেনিস্তানের অন্যতম পরিচিত পর্যটনস্থলে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আগুনের বিশাল শিখা ও মরুভূমির অন্ধকার পরিবেশ এটিকে একটি অনন্য দৃশ্যে পরিণত করে।

‘জাহান্নামের দরজা’ নামটি ধর্মীয় কোনো স্থানের পরিচয় নয়; এটি মূলত গর্তটির ভয়াবহ চেহারা ও দীর্ঘস্থায়ী আগুনকে ঘিরে তৈরি হওয়া একটি জনপ্রিয় উপাধি।