ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন ওসমান হাদি। ঘটনার দুই দিন পর, ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিকভাবে মামলায় দণ্ডবিধির ১২০(বি), ৩২৬, ৩০৭, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসমান হাদির মৃত্যু হয়। এরপর আদালতের নির্দেশে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) যুক্ত করা হয়।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, ডিবির পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। তবে ওই চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী নারাজি আবেদন করেন। আদালত আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে হস্তান্তর করেন।
ডিবির দেওয়া চার্জশিটে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং ছয়জন পলাতক।
পলাতকদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার সহযোগী আলমগীর হোসেন, মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফিলিপ ওরয়ে স্মাল পিলিপস, মুক্তি আক্তার এবং জেসমিন আক্তার।
অন্যদিকে কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপুসহ আরও কয়েকজন।
প্রতিবেদকের নাম 











