দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপ সংস্কারের পাশাপাশি নিম্ন-মধ্যম আয়ের পরিবারের গৃহিণীদের জন্য ‘গৃহিণী এলপিজি কার্ড’ চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের উদ্যোগে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ই-বুকে বলা হয়েছে, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, কৃষির পুনরুজ্জীবন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
গ্যাস অনুসন্ধানে সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে ই-বুকে জানানো হয়, ২০২৫-২৬ মেয়াদে ৫০টি এবং ২০২৬-২৮ মেয়াদে আরও ১০০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের লক্ষ্য রয়েছে পেট্রোবাংলার। বর্তমানে অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও সংস্কার মিলিয়ে ৫০টি কূপে কাজ চলছে। এর মধ্যে ৩১টি পুরোনো কূপ সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়ে বলা হয়েছে, ২০১২ ও ২০১৪ সালে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির পর বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লকের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো বিদেশি কোম্পানি চূড়ান্ত প্রস্তাব দেয়নি। বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় কোনো বিদেশি কোম্পানি গ্যাস অনুসন্ধান করছে না। সংশোধিত উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তির আওতায় ২৬টি ব্লকের জন্য আবারও আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
এদিকে নিম্নআয়ের গ্রামীণ ও প্রান্তিক পরিবারকে ভর্তুকিতে এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জ্বালানি কাঠ ও কৃষিজ বর্জ্যের পরিবর্তে সাশ্রয়ী ও নিরাপদ জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, নিম্ন-মধ্যম আয়ের গ্রামীণ ও শহরতলির পরিবারের গৃহিণীদের জন্য ‘গৃহিণী এলপিজি কার্ড’ চালুর প্রস্তুতি চলছে। কার্ডধারীদের সিলিন্ডার কেনার ক্ষেত্রে মাসিক লক্ষ্যভিত্তিক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















