ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের সতর্কবার্তা

  • Arif
  • আপডেটের সময়: ০৯:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৩ সময় দেখুন

ভারী বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় দেশের উত্তরের নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও নেত্রকোনার কামলাকান্দা, সিলেটের কানাইঘাট, ফেঞ্জুগঞ্জ এবং বাগেরহাটের মোংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সংবাদমাধ্যমকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে নদনদীর পানি বেড়ে উত্তরের চার জেলায় সাময়িকভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ অবস্থা আগামী ৫দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ‘ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ’ প্রতিনিধিদলের বৈঠক

‘ভারী বৃষ্টির কারণে ওই চার জেলায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে আগামী কয়েকদিন স্থায়ী স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে’, বলেছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন।

সতর্ক বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল বেড়েছে এবং আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আগামী ৭২ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলার কোথাও কোথাও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  মানবিক সহায়তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী নেতৃত্ব বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, রংপুর, সিলেট ও খুলনা বিভাগসহ উজানের ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হয়েছে, যা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

আগামী পাঁচ দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে, যদিও তা বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  পুঠিয়ায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, ৬ দিন পর মামলা নিল পুলিশ

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং আগামী কয়েক দিন তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে, এরপর কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ছে এবং আগামী তিন দিনে তা সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা বা প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, কংস ও ভুগাই নদীর পানিও ওঠানামা করছে। আগামী দিনগুলোতে এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নদীভাঙন কবলিত মানুষের পাশে এবিজি

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের সতর্কবার্তা

আপডেটের সময়: ০৯:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ভারী বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় দেশের উত্তরের নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও নেত্রকোনার কামলাকান্দা, সিলেটের কানাইঘাট, ফেঞ্জুগঞ্জ এবং বাগেরহাটের মোংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সংবাদমাধ্যমকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে নদনদীর পানি বেড়ে উত্তরের চার জেলায় সাময়িকভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ অবস্থা আগামী ৫দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ফিদান-পুতিন সাক্ষাৎ: শক্তিশালী হচ্ছে মস্কো-আঙ্কারা সম্পর্ক

‘ভারী বৃষ্টির কারণে ওই চার জেলায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে আগামী কয়েকদিন স্থায়ী স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে’, বলেছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন।

সতর্ক বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল বেড়েছে এবং আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আগামী ৭২ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলার কোথাও কোথাও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকার বেশি

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, রংপুর, সিলেট ও খুলনা বিভাগসহ উজানের ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হয়েছে, যা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

আগামী পাঁচ দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে, যদিও তা বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্লেষকদের চোখে আলজেরিয়ার চ্যালেঞ্জ: আর্জেন্টিনাকে হারানোর সম্ভাবনা কতটা?

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং আগামী কয়েক দিন তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে, এরপর কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ছে এবং আগামী তিন দিনে তা সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা বা প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, কংস ও ভুগাই নদীর পানিও ওঠানামা করছে। আগামী দিনগুলোতে এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।