দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে চার দিনের ম্যাচে বড় হারের শঙ্কায় পড়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ড্র করেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। একপর্যায়ে মাত্র ৭০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে মাহিদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম ও নাঈম হাসানের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে হার এড়ায় সফরকারীরা।
পচেফস্ট্রুমে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল ৫ উইকেটে ৫১৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। স্বাগতিকদের হয়ে মদেরি লিথেকো ও মিচেল ভ্যান বুয়েন শতক হাঁকান।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন ইকবাল হোসেন। ১৬ ওভার বল করে ৭৬ রান দিয়ে তিনি ৩ উইকেট শিকার করেন।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ২৩৯ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৭ রান করেন মাহিদুল ইসলাম। ইফতেখার হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ৫০ রান। ফলে প্রথম ইনিংসে ২৮০ রানের বড় লিড পায় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল।
৪১০ রানের কঠিন লক্ষ্য
ফলো-অন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল ৪ উইকেটে ১৩০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। এই ইনিংসেও বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট নেন ইকবাল হোসেন।
দুই ইনিংস মিলিয়ে বড় লিডের সুবাদে বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ৪১০ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। এমন কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
মাত্র ৭০ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। এতে ম্যাচে বাংলাদেশের পরাজয় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল।
মাহিদুল-আমিনুলের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানো
চাপের মুখে ষষ্ঠ উইকেটে দলের হাল ধরেন মাহিদুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম। দুজন মিলে ২০৫ বলে ১০৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন।
আমিনুল ইসলাম ১৪৭ বলে ৭৪ রান করে আউট হন। এরপর নাঈম হাসানকে সঙ্গে নিয়ে বাকি সময়টা নিরাপদে কাটিয়ে দেন মাহিদুল।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো উইকেট হারাতে দেয়নি বাংলাদেশ। মাহিদুল ২০৮ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর সঙ্গে নাঈম হাসান ৭৯ বলে ৪৯ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন।
ফলে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে হার এড়াতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে ম্যাচ ড্র করে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা।
প্রতিবেদকের নাম 




















