পবিত্র মক্কা নগরী লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। হামলাকারী হুতি কিংবা অন্য কেউ—যেই হোক, পবিত্র নগরীকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ নিন্দা জানান।
‘মক্কা পৃথিবীর পবিত্রতম স্থান’
ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পবিত্র মক্কা নগরী আল্লাহর ঘর কাবার কারণে সম্মানিত। এটি পৃথিবীর অন্যতম পবিত্র স্থান। সেখানে যেকোনো ধরনের হামলার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং নিন্দা জানানো নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব।
তিনি বলেন, হামলাকারী হুতি হোক কিংবা অন্য কেউ—পবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বাংলাদেশেরও নিন্দা
একই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে পবিত্র মক্কা আল-মুকাররমা এবং সৌদি আরবের অন্যান্য পবিত্র স্থানের মর্যাদার প্রতি বাংলাদেশের গভীর সম্মানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
এতে পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষায় সৌদি আরব ও দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব স্থানের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সর্বাবস্থায় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদি আরবের
এর আগে সৌদি আরব দাবি করে, পবিত্র নগরী মক্কার দিকে হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ড্রোনটি সংরক্ষিত আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার মক্কা নগরীতে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছিল সৌদি আরব। একই সময়ে জেদ্দা ও তায়েফ শহরেও সতর্কতা জারি করা হয়। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই মক্কার সতর্কবার্তা প্রত্যাহার করা হয়।
হুতিদের অস্বীকার
তবে ইয়েমেনের সাবা বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হুতিদের একটি সামরিক সূত্র মক্কা বা অন্য কোনো পবিত্র স্থানের জন্য তারা হুমকি—এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছে।
অর্থাৎ, ড্রোন হামলার উৎস ও লক্ষ্য নিয়ে সৌদি আরবের দাবি এবং হুতিদের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট মতপার্থক্য রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















