তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় নেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার (৯ জুন) অনুষ্ঠিত এই সভায় সবচেয়ে আলোচিত সিদ্ধান্ত ছিল মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আধুনিক সুইমিংপুল নির্মাণ এবং জিমনেসিয়াম উন্নয়নের প্রকল্প অনুমোদন।
দীর্ঘদিন ধরে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের পূর্ব গ্যালারির দর্শকদের রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ের মধ্যে খেলা উপভোগ করতে হতো, কারণ ওই অংশে কোনো ছাউনি ছিল না। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্ব গ্যালারিতেও ছাউনি স্থাপন করা হবে। ফলে প্রথমবারের মতো স্টেডিয়ামের পুরো গ্যালারি ছাউনির আওতায় আসবে এবং দর্শকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
এ ছাড়া জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ব্যবহৃত বর্তমান জিমনেসিয়ামকে আধুনিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা সুইমিংপুল নির্মাণের পরিকল্পনাও এবার বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। এতদিন বিভিন্ন সিরিজ বা ক্যাম্পের সময় ক্রিকেটারদের সাঁতারের সুবিধার জন্য পাঁচতারকা হোটেলের ওপর নির্ভর করতে হতো।
এর আগে তামিম ইকবাল জানিয়েছিলেন, নতুন জিম ও সুইমিংপুল আন্তর্জাতিক মানের করা হবে। জানা গেছে, পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশের জন্য প্রাপ্য বোনাসের অর্থ ক্রিকেটাররা এই উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও প্রকল্পের মোট ব্যয়ের তুলনায় সেটি অল্প অংশমাত্র।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় জাতীয় দলের যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য একটি টিম বাস কেনার সিদ্ধান্তও অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দুটি প্রধান ড্রেসিংরুম, খেলোয়াড়দের ডাইনিং রুম এবং ভিউয়িং এরিয়া আধুনিকায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিসিবির নতুন বোর্ডের এসব উদ্যোগকে দেশের ক্রিকেট অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ সুবিধা যেমন বাড়বে, তেমনি দর্শকরাও আরও আরামদায়ক পরিবেশে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।
প্রতিবেদকের নাম 

























