ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য সরকারের

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নকে আগামী অর্থবছরের বাজেটের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গাজা যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের প্রস্তাব নাকচ, নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তে বাড়ছে টানাপোড়েন

তিনি জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির কার্যকর সমন্বয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, বাজেট ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা, উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক ব্যয় ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ৪১ লাখ নারীকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দিতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রথমবার চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী, থাকছে একাধিক কর্মসূচি

এছাড়া কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় ১০০টি উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করতে ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

খাদ্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫৫ লাখ পরিবারকে ছয় মাস ধরে প্রতি মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সারা দেশে এক হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আইসিসির জুলাইয়ের সেরার লড়াইয়ে তানজিদ তামিম

তিনি আরও জানান, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৪১৯টি উপজেলায় অতিরিক্ত ওএমএস কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যেখানে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সহায়তা, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আঞ্চলিক অবকাঠামো উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সূত্র: বাসস

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য সরকারের

আপডেটের সময়: ০৬:২২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নকে আগামী অর্থবছরের বাজেটের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালের গৌরনদীতে আড়াই মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

তিনি জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির কার্যকর সমন্বয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, বাজেট ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা, উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক ব্যয় ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ৪১ লাখ নারীকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দিতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গাজা যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের প্রস্তাব নাকচ, নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তে বাড়ছে টানাপোড়েন

এছাড়া কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় ১০০টি উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করতে ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

খাদ্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫৫ লাখ পরিবারকে ছয় মাস ধরে প্রতি মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সারা দেশে এক হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

তিনি আরও জানান, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৪১৯টি উপজেলায় অতিরিক্ত ওএমএস কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যেখানে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সহায়তা, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আঞ্চলিক অবকাঠামো উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সূত্র: বাসস