ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক আধুনিক স্থলবন্দর গড়বে ভারত শিল্প বর্জ্যের বিষাক্ত দূষণে বিপর্যস্ত বসুন্দিয়া ও আশপাশের জনজীবন; সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকদের হুমকির অভিযোগ ২০২৬ বিশ্বকাপের পর অবসরের ইঙ্গিত মাজরাউইর, লক্ষ্য হাফেজ ও ইমাম হওয়া সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের পাশে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার ভিক্ষুকের মুষ্টির চাল থেকে গ্লোবাল টিএমএসএস: লড়াই ও সাফল্যের গল্প বিমান ভাড়া কমালো মালয়েশিয়ার বাজেট এয়ারলাইন্স মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আনুষ্ঠানিক বৈঠক যুক্তরাষ্ট্র–ইরান প্রথম দফার বৈঠকে ‘আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি’ উজানের ভারি বৃষ্টিতে বন্যার শঙ্কা, ঝুঁকিতে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল মালয়েশিয়ায় লাল গালিচায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

কমছে মুরগির দর, সরবরাহ বেড়েছে মাছ ও সবজির

  • arif
  • আপডেটের সময়: ০২:১০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

কোরবানির ঈদের তিন সপ্তাহ পর রাজধানীর বাজারগুলোয় মুরগি ও গরুর মাংসের দোকানগুলোতে বেচাকেনা বেড়েছে; সেইসঙ্গে বেড়েছে মাছ ও সবজির সরবরাহ।

বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানি ঈদের পর চাহিদা এখনো বৃদ্ধি না পাওয়ায় আগের সপ্তাহের চেয়ে তুলনামূলক কম দামে মিলছে ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংস।

শুক্রবার যাত্রাবাড়ীতে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ টাকা দরে বিক্রি হলেও সেগুন বাগিচা বাজারে তা ৮০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আগের সপ্তাহে সেগুন বাগিচা বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছিল ৮৫০ টাকা কেজি দরে।

একই বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। মতিঝিল এজিবি কলোনি বাজার ও যাত্রাবাড়ীর কাজলায় ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকায়।

আগের সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছিল ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে। তবে এ তিন বাজারে সোনালি মুরগি আগের সপ্তাহের মতই ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের মাছের সরবরাহও বেড়েছে।

মতিঝিল এজিবি কলোনি বাজারের মাছ বিক্রেতা আনিছ সরকার বলেন, “ডিম ছাড়া দুই কেজি ওজনের রুই ৪৫০ টাকা কেজি। ডিম ছাড়া এক কেজি ওজনেরটা ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। আগের সপ্তাহে দুই কেজির বেশি ওজনের রুইয়ের কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৬০-৪৮০ টাকায়।”

আরও পড়ুনঃ  বেনজীরকে দেশে ফেরাতে দুবাইয়ে প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠিয়েছে সরকার

ডিমওয়ালা এক কেজি ওজনের রুই যাত্রবাড়ী কাজলায় বিক্রি হতে দেখা গেছে আগের সপ্তাহের মত ৩৫০ টাকা দরে। এ বাজারে এক কেজির কম ওজনের রুইয়ের কেজি আগের সপ্তাহের মতই ২৬০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মতিঝিল এজিবি কলোনি বাজারে প্রতি কেজি পাঙাশ গত সপ্তাহের মত ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ছোট আকারের তেলাপিয়া ১৩০ টাকা এবং বড় তেলাপিয়া আগের মতই ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া আগের সপ্তাহে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া টেংরার দাম বেড়ে এ সপ্তাহে ৬০০ টাকা হয়েছে। চাষের পাবদা ৫০ টাকা বেড়ে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হলেও দেশি পাবদা আগের দরে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বিভিন্ন জাতের কই মাছের দাম কিছুটা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। আগের সপ্তাহে ছিল ৪০০-৪৫০ টাকা। চাষের শিং ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, আগের সপ্তাহে ছিল ২৫০ টাকা কেজি।

আরও পড়ুনঃ  কাল মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, একাদশে একাধিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত

সেগুন বাগিচায় সিলভার কার্প ও সরপুটি আগের সপ্তাহের মত ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। যাত্রাবাড়ীতে মলা মাছ বিক্রি হয়েছে আগের মত ২০০ টাকা কেজি দরে।

এদিকে সরবরাহ বাড়লেও বেশিরভাগ সবজির দাম দেখা গেল আগের সপ্তাহের মতই। কিছুটা কমেছে কাঁচা পেঁপে, কাঁচা মরিচ, চিচিঙ্গা, শসা ও বেগুনের দর।

কাজলায় স্থানীয় জাতের শসা ৫০ টাকা কেজি ও হাইব্রিড শসা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। আগের সপ্তাহে স্থানীয় জাতের শসা ৭০ টাকা কেজি ও হাইব্রিড শসা ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

মতিঝিল কলোনি বাজারে প্রতি ফালি মিষ্টি কুমড়া আগের মত ৩০ টাকা ও ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। চিচিঙ্গা ৪০ টাকা কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছিল ৪০ টাকায়। আগের সপ্তাহে চিচিঙ্গা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

সেগুনবাগিচা কাঁচা বাজারে আগের দরে ধুন্দলের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। একই মানের ধুন্দলের কেজি মতিঝিল এজিবি কলোনি বাজারে ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এই দুই বাজারেই কাকরলের কেজি বিক্রি হয়েছে আগের সপ্তাহের মত ৬০ টাকায়।

অন্যদিকে সেগুন বাগিচা বাজারে আগের দরে প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়, আর করলা ১০ টাকা কমে ৫০ টাকায়।

আরও পড়ুনঃ  মেসিকে দলে নেওয়ার ‘রসিকতা’ করলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

তিন বাজারেই বরবটি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা ও পটল ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আগের সপ্তাহে বরবটি ৮০ টাকা, পটল ও ঢেঁড়স ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

কাজলায় লম্বা বেগুন ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও মতিঝিল কলোনি বাজারে তা ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দু্ই বাজারেই গোল বেগুন বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজি দরে।

মতিঝিল কলোনি বাজারে প্রতিটি চাল কুমড়া বিক্রি হয়েছে আগের সপ্তাহের মত ৪০ টাকায়। এ বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা দরে; আগের সপ্তাহে দর ছিল ১২০ টাকা।

সেগুন বাগিচা কাঁচা বাজারে আগের সপ্তাহের দরে প্রতি ডজন ডিম ১৩০ টাকায় বিক্রি করছেন মোহাম্মদ আতিক। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। তবে ভ্যানে ফেরি করে ৫ কেজি আলু ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এ বাজারে পেঁয়াজ আগের দরে ৪০ টাকায় আর আগের সপ্তাহের চেয়ে ২০ টাকা কমে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয় ৮০ টাকা।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক আধুনিক স্থলবন্দর গড়বে ভারত

কমছে মুরগির দর, সরবরাহ বেড়েছে মাছ ও সবজির

আপডেটের সময়: ০২:১০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

কোরবানির ঈদের তিন সপ্তাহ পর রাজধানীর বাজারগুলোয় মুরগি ও গরুর মাংসের দোকানগুলোতে বেচাকেনা বেড়েছে; সেইসঙ্গে বেড়েছে মাছ ও সবজির সরবরাহ।

বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানি ঈদের পর চাহিদা এখনো বৃদ্ধি না পাওয়ায় আগের সপ্তাহের চেয়ে তুলনামূলক কম দামে মিলছে ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংস।

শুক্রবার যাত্রাবাড়ীতে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ টাকা দরে বিক্রি হলেও সেগুন বাগিচা বাজারে তা ৮০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আগের সপ্তাহে সেগুন বাগিচা বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছিল ৮৫০ টাকা কেজি দরে।

একই বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। মতিঝিল এজিবি কলোনি বাজার ও যাত্রাবাড়ীর কাজলায় ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকায়।

আগের সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছিল ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে। তবে এ তিন বাজারে সোনালি মুরগি আগের সপ্তাহের মতই ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের মাছের সরবরাহও বেড়েছে।

মতিঝিল এজিবি কলোনি বাজারের মাছ বিক্রেতা আনিছ সরকার বলেন, “ডিম ছাড়া দুই কেজি ওজনের রুই ৪৫০ টাকা কেজি। ডিম ছাড়া এক কেজি ওজনেরটা ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। আগের সপ্তাহে দুই কেজির বেশি ওজনের রুইয়ের কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৬০-৪৮০ টাকায়।”

আরও পড়ুনঃ  কাল মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, একাদশে একাধিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত

ডিমওয়ালা এক কেজি ওজনের রুই যাত্রবাড়ী কাজলায় বিক্রি হতে দেখা গেছে আগের সপ্তাহের মত ৩৫০ টাকা দরে। এ বাজারে এক কেজির কম ওজনের রুইয়ের কেজি আগের সপ্তাহের মতই ২৬০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মতিঝিল এজিবি কলোনি বাজারে প্রতি কেজি পাঙাশ গত সপ্তাহের মত ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ছোট আকারের তেলাপিয়া ১৩০ টাকা এবং বড় তেলাপিয়া আগের মতই ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া আগের সপ্তাহে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া টেংরার দাম বেড়ে এ সপ্তাহে ৬০০ টাকা হয়েছে। চাষের পাবদা ৫০ টাকা বেড়ে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হলেও দেশি পাবদা আগের দরে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বিভিন্ন জাতের কই মাছের দাম কিছুটা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। আগের সপ্তাহে ছিল ৪০০-৪৫০ টাকা। চাষের শিং ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, আগের সপ্তাহে ছিল ২৫০ টাকা কেজি।

আরও পড়ুনঃ  মেসিকে দলে নেওয়ার ‘রসিকতা’ করলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

সেগুন বাগিচায় সিলভার কার্প ও সরপুটি আগের সপ্তাহের মত ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। যাত্রাবাড়ীতে মলা মাছ বিক্রি হয়েছে আগের মত ২০০ টাকা কেজি দরে।

এদিকে সরবরাহ বাড়লেও বেশিরভাগ সবজির দাম দেখা গেল আগের সপ্তাহের মতই। কিছুটা কমেছে কাঁচা পেঁপে, কাঁচা মরিচ, চিচিঙ্গা, শসা ও বেগুনের দর।

কাজলায় স্থানীয় জাতের শসা ৫০ টাকা কেজি ও হাইব্রিড শসা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। আগের সপ্তাহে স্থানীয় জাতের শসা ৭০ টাকা কেজি ও হাইব্রিড শসা ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

মতিঝিল কলোনি বাজারে প্রতি ফালি মিষ্টি কুমড়া আগের মত ৩০ টাকা ও ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। চিচিঙ্গা ৪০ টাকা কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছিল ৪০ টাকায়। আগের সপ্তাহে চিচিঙ্গা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

সেগুনবাগিচা কাঁচা বাজারে আগের দরে ধুন্দলের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। একই মানের ধুন্দলের কেজি মতিঝিল এজিবি কলোনি বাজারে ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এই দুই বাজারেই কাকরলের কেজি বিক্রি হয়েছে আগের সপ্তাহের মত ৬০ টাকায়।

অন্যদিকে সেগুন বাগিচা বাজারে আগের দরে প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়, আর করলা ১০ টাকা কমে ৫০ টাকায়।

আরও পড়ুনঃ  বেনজীরকে দেশে ফেরাতে দুবাইয়ে প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠিয়েছে সরকার

তিন বাজারেই বরবটি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা ও পটল ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আগের সপ্তাহে বরবটি ৮০ টাকা, পটল ও ঢেঁড়স ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

কাজলায় লম্বা বেগুন ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও মতিঝিল কলোনি বাজারে তা ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দু্ই বাজারেই গোল বেগুন বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজি দরে।

মতিঝিল কলোনি বাজারে প্রতিটি চাল কুমড়া বিক্রি হয়েছে আগের সপ্তাহের মত ৪০ টাকায়। এ বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা দরে; আগের সপ্তাহে দর ছিল ১২০ টাকা।

সেগুন বাগিচা কাঁচা বাজারে আগের সপ্তাহের দরে প্রতি ডজন ডিম ১৩০ টাকায় বিক্রি করছেন মোহাম্মদ আতিক। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। তবে ভ্যানে ফেরি করে ৫ কেজি আলু ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এ বাজারে পেঁয়াজ আগের দরে ৪০ টাকায় আর আগের সপ্তাহের চেয়ে ২০ টাকা কমে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয় ৮০ টাকা।