বাংলাদেশ পিপলস লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে দলটিকে নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেন।
আদালতে বাংলাদেশ পিপলস লীগের পক্ষে শুনানি করেন দলটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র আইনজীবী গরীব নেওয়াজ মোহাম্মদ এবং আইনজীবী সৈয়দ মাহবুব হোসেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া।
বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে ৬০টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধিত রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ পিপলস লীগ হবে দেশের ৬১তম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।
এর আগে, রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন করলেও প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি—এই যুক্তিতে গত বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি আবেদনটি বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।
পরে নির্বাচন কমিশনের ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দলটির মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুব হোসেন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর আদালত রুল জারি করেন। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বুধবার রায় ঘোষণা করা হয়।
রায়ের পর দলটির মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ পিপলস লীগ ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সে সময় মার্শাল ল রেগুলেশনের আওতায় দলটির নিবন্ধন ছিল। ২০০৮ সালে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের কাছে পুনরায় নিবন্ধনের আবেদন করা হয়।
তার দাবি, নিবন্ধনের সব শর্ত পূরণ করা হলেও তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দলটিকে নিবন্ধন দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটে রুল যথাযথ ঘোষণা করেছেন এবং তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ পিপলস লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রতিবেদকের নাম 


























