ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় পুলিশের যানবাহনে দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার ‘তোমাকে ছাড়া এখনও বেঁচে আছি’, সুগন্ধি চালের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন, এক মাসে কেজিতে বেড়েছে ৬০–৮০ টাকা শুটিং সেটে আহত রাশমিকা মান্দানা, ছয় সপ্তাহ বিশ্রামের পরামর্শ চিকিৎসকদের ঢাকার মঞ্চে প্রথমবার গান শোনাবেন পাকিস্তানি র‍্যাপার হাসান রহিম দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী ৪-৫ বছরের মধ্যে অর্থনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশা, উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আগস্টে টানা বৃষ্টি ও বন্যার আভাস, সাগরে একাধিক লঘুচাপের শঙ্কা সাভারে মশাল মিছিলের সময় ৯ জন গ্রেপ্তার, জব্দ ব্যানার-মশাল ও মোটরসাইকেল জয়পুরহাট-নওগাঁর নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

সংসদে পাস ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল-২০২৬’, একীভূত হচ্ছে বিডা, বেজা ও পিপিপি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:৪০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ২৯ সময় দেখুন

বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল-২০২৬’। নতুন আইনের মাধ্যমে দেশের বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের পথ খুলে গেল।

আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষ (পিপিপি) বিলুপ্ত করে গঠন করা হবে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ’

সরকার জানিয়েছে, তিনটি পৃথক সংস্থার কার্যক্রম একীভূত করে কাজের পুনরাবৃত্তি কমানো, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দ্রুত ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুনঃ  ‘ভোল পাল্টে এখন সবাই জুলাইযোদ্ধা’—মির্জা ফখরুল

বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বিলটি তাৎক্ষণিক বিবেচনার জন্য সংসদে উত্থাপন করেন। তবে বিলটি দ্রুত পাসের প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আপত্তি জানান।

বিরোধী দলের অভিযোগ, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তিন দিনের নোটিশ সংসদ সদস্যদের দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি চারটি বিদ্যমান আইন বাতিলের আগে তুলনামূলক বিশ্লেষণ সংসদে উপস্থাপন না করেই বিলটি পাস করা হয়েছে। তারা বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোরও দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  ‘তোমাকে ছাড়া এখনও বেঁচে আছি’,

নতুন আইনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০, বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব আইন, ২০১৫, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬ এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন, ২০১৮ রহিত ও সংরক্ষণসংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে।

আইনের অধীনে অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল এবং অন্যান্য শিল্পাঞ্চলকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে। এছাড়া লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ এবং বিনিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জয়পুরহাট-নওগাঁর নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

এ ছাড়া বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে রয়্যালটি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান, কারিগরি সহায়তা বা ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পৃথক কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে কাজের পুনরাবৃত্তি দূর করে বিনিয়োগকারীদের আরও দক্ষ ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতেই এই একীভূতকরণ করা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, এটি নতুন কোনো আইনগত কাঠামো নয়; বরং বিদ্যমান সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার প্রশাসনিক উদ্যোগ।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় পুলিশের যানবাহনে দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার

সংসদে পাস ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল-২০২৬’, একীভূত হচ্ছে বিডা, বেজা ও পিপিপি

আপডেটের সময়: ০৮:৪০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল-২০২৬’। নতুন আইনের মাধ্যমে দেশের বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের পথ খুলে গেল।

আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষ (পিপিপি) বিলুপ্ত করে গঠন করা হবে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ’

সরকার জানিয়েছে, তিনটি পৃথক সংস্থার কার্যক্রম একীভূত করে কাজের পুনরাবৃত্তি কমানো, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দ্রুত ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বিলটি তাৎক্ষণিক বিবেচনার জন্য সংসদে উত্থাপন করেন। তবে বিলটি দ্রুত পাসের প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আপত্তি জানান।

বিরোধী দলের অভিযোগ, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তিন দিনের নোটিশ সংসদ সদস্যদের দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি চারটি বিদ্যমান আইন বাতিলের আগে তুলনামূলক বিশ্লেষণ সংসদে উপস্থাপন না করেই বিলটি পাস করা হয়েছে। তারা বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোরও দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  ‘তোমাকে ছাড়া এখনও বেঁচে আছি’,

নতুন আইনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০, বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব আইন, ২০১৫, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬ এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন, ২০১৮ রহিত ও সংরক্ষণসংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে।

আইনের অধীনে অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল এবং অন্যান্য শিল্পাঞ্চলকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে। এছাড়া লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ এবং বিনিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জয়পুরহাট-নওগাঁর নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

এ ছাড়া বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে রয়্যালটি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান, কারিগরি সহায়তা বা ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পৃথক কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে কাজের পুনরাবৃত্তি দূর করে বিনিয়োগকারীদের আরও দক্ষ ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতেই এই একীভূতকরণ করা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, এটি নতুন কোনো আইনগত কাঠামো নয়; বরং বিদ্যমান সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার প্রশাসনিক উদ্যোগ।