খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তঃনগর সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের চালক (লোকোমোটিভ মাস্টার) মোবারকগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে হঠাৎ চলে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন শত শত যাত্রী। প্রায় এক ঘণ্টা চালক অনুপস্থিত থাকায় নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে ট্রেনটি আবার যাত্রা শুরু করে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে ট্রেনটি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোবারকগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়। নিয়ম অনুযায়ী দুই মিনিটের যাত্রাবিরতি শেষে ট্রেন ছাড়ার সংকেত দেওয়া হলেও চালক ইঞ্জিনে না থাকায় ট্রেনটি আর ছেড়ে যেতে পারেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ট্রেন প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকলেও কেন যাত্রা শুরু হচ্ছে না—এ বিষয়ে শুরুতে কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ভ্যাপসা গরমে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। অনেক যাত্রী কারণ জানতে স্টেশন মাস্টারের কক্ষে গেলেও সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউকে পাননি বলে অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় স্টেশনে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ট্রেনের মাইকে যাত্রীদের নিজ নিজ আসনে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। অবশেষে এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর চালক ফিরে এলে ট্রেনটি রাজশাহীর উদ্দেশ্যে যাত্রা পুনরায় শুরু করে।
সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেসের গার্ড শফিকুল ইসলাম জানান, খুলনা থেকে ট্রেনটি যথাসময়ে মোবারকগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছেছিল। ছাড়ার ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরও ট্রেন না চলায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চালক ইঞ্জিনে নেই। তবে তিনি কেন ট্রেন ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।
মোবারকগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহজাহান আলী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ট্রেন ছাড়ার সংকেত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালক ইঞ্জিনে না থাকায় তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি ফিরে আসলে ট্রেনটি পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
চালক কেন দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ট্রেন রেখে চলে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদকের নাম 

























