ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুত ইসি, ভোটের তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়: সিইসি গণমাধ্যমের গঠনমূলক ভূমিকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, এডিটরস কাউন্সিল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক তিন শর্তে পুনরায় লাইসেন্স পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় আজ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমতেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধস ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস নাইজেরিয়ায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা, ৮ শিশুসহ নিহত অন্তত ৩০ টানা তৃতীয় দিন থেমে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত, কূটনৈতিক সমাধানের নতুন আশা বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস আজ: দেশে বছরে প্রাণ হারান ২০ হাজার মানুষ, সর্বজনীন স্ক্রিনিং ও টিকাদানের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের এক দশকের অপেক্ষার অবসান, আনোয়ারায় শুরু ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বাংলাদেশ-চীন শিল্পাঞ্চলের নির্মাণ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

আপত্তি উপেক্ষা করে আবারও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার তুর্ক

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েলের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে আরও চার বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ফলকার তুর্ক। শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভোটের মাধ্যমে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদ নিশ্চিত করেন। এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে পদটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো টানা দুই পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালনের নজির গড়লেন তিনি।

অস্ট্রিয়ার আইনজীবী ফলকার তুর্ক ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘে যোগ দেন। শুরুতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এ কাজ করেন। পরে মালয়েশিয়া, কসোভো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং কঙ্গোতে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জ্যেষ্ঠ পদে কর্মরত ছিলেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের অধীনে স্ট্র্যাটেজিক কো-অর্ডিনেশন বিষয়ক সহকারী মহাসচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতির বিদায়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নেই, মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্ব পালনের প্রশংসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মানবাধিকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের কঠোর সমালোচনা করেন তুর্ক। পাশাপাশি আফগানিস্তান, সুদান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও নিকারাগুয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও তিনি সরব ছিলেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রস্তাবের পক্ষে ১৪৪টি দেশ ভোট দেয়। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১০টি এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ভোট স্থগিতের প্রস্তাব দিলেও তা নাকচ হয়ে যায়। অন্যদিকে রাশিয়া তুর্কের মেয়াদ কেবল চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও সেটিও সমর্থন পায়নি।

আরও পড়ুনঃ  ১৫ দিনে ২০০ মার্কিন সেনা নিহতের দাবি ইরানের

তুর্কের পুনর্নিয়োগে সবচেয়ে বেশি আপত্তি জানায় যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েল। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, তার নেতৃত্বে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ৭ অক্টোবরের হামলার যথাযথ মূল্যায়ন করেনি, তহবিলের অপব্যবহার করেছে এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়ার উপ-রাষ্ট্রদূত দিমিত্রি চুমাকভ তাকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে আখ্যা দেন। আর যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ তোলে, তিনি চরমপন্থী আদর্শিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছেন।

আরও পড়ুনঃ  ওসমান হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামির স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুর

এদিকে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সমালোচকদের দাবি, নতুন মানবাধিকার প্রধান নির্বাচনের দায়িত্ব তার উত্তরসূরির জন্য রেখে দেওয়া উচিত ছিল। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ ঘটনাকে জাতিসংঘের অদক্ষতা ও দুর্বল প্রশাসনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ইসরায়েল একে ‘নৈতিক ব্যর্থতা’ বলে মন্তব্য করেছে।

তবে এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক। তিনি বলেন, মহাসচিব জাতিসংঘের নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সদস্য রাষ্ট্র এবং আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে স্বচ্ছভাবে ফলকার তুর্কের মনোনয়ন দিয়েছেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুত ইসি, ভোটের তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়: সিইসি

আপত্তি উপেক্ষা করে আবারও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার তুর্ক

আপডেটের সময়: ০৯:১৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েলের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে আরও চার বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ফলকার তুর্ক। শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভোটের মাধ্যমে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদ নিশ্চিত করেন। এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে পদটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো টানা দুই পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালনের নজির গড়লেন তিনি।

অস্ট্রিয়ার আইনজীবী ফলকার তুর্ক ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘে যোগ দেন। শুরুতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এ কাজ করেন। পরে মালয়েশিয়া, কসোভো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং কঙ্গোতে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জ্যেষ্ঠ পদে কর্মরত ছিলেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের অধীনে স্ট্র্যাটেজিক কো-অর্ডিনেশন বিষয়ক সহকারী মহাসচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  বঙ্গভবন ছাড়ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, গুলশানের বাসায় উঠতে প্রস্তুতি

মানবাধিকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের কঠোর সমালোচনা করেন তুর্ক। পাশাপাশি আফগানিস্তান, সুদান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও নিকারাগুয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও তিনি সরব ছিলেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রস্তাবের পক্ষে ১৪৪টি দেশ ভোট দেয়। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১০টি এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ভোট স্থগিতের প্রস্তাব দিলেও তা নাকচ হয়ে যায়। অন্যদিকে রাশিয়া তুর্কের মেয়াদ কেবল চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও সেটিও সমর্থন পায়নি।

আরও পড়ুনঃ  ভরিপ্রতি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমল সোনার দাম, নতুন দর কার্যকর

তুর্কের পুনর্নিয়োগে সবচেয়ে বেশি আপত্তি জানায় যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েল। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, তার নেতৃত্বে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ৭ অক্টোবরের হামলার যথাযথ মূল্যায়ন করেনি, তহবিলের অপব্যবহার করেছে এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়ার উপ-রাষ্ট্রদূত দিমিত্রি চুমাকভ তাকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে আখ্যা দেন। আর যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ তোলে, তিনি চরমপন্থী আদর্শিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছেন।

আরও পড়ুনঃ  ১৫ দিনে ২০০ মার্কিন সেনা নিহতের দাবি ইরানের

এদিকে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সমালোচকদের দাবি, নতুন মানবাধিকার প্রধান নির্বাচনের দায়িত্ব তার উত্তরসূরির জন্য রেখে দেওয়া উচিত ছিল। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ ঘটনাকে জাতিসংঘের অদক্ষতা ও দুর্বল প্রশাসনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ইসরায়েল একে ‘নৈতিক ব্যর্থতা’ বলে মন্তব্য করেছে।

তবে এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক। তিনি বলেন, মহাসচিব জাতিসংঘের নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সদস্য রাষ্ট্র এবং আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে স্বচ্ছভাবে ফলকার তুর্কের মনোনয়ন দিয়েছেন।