ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দেশটি। লাখো মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা থাকায় পুরো অনুষ্ঠান ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ইরান।
শনিবার (৪ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, দাফন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাব আগের চেয়েও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দাফন অনুষ্ঠানে বিপুল জনসমাগমের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি উচ্চপর্যায়ের অতিথিদের উপস্থিতি নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সম্ভাব্য হামলা বা নাশকতা ঠেকাতে তেহরানজুড়ে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীর আকাশসীমাও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, শুধু বাইরের হামলার আশঙ্কাই নয়, দেশের অভ্যন্তরে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন থেকেও হুমকি রয়েছে। তাই আকাশ ও স্থল—উভয় দিক থেকেই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছেন। অনুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নিচ্ছেন।
ইরান সরকার জানিয়েছে, পুরো দাফন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















