
ডান পায়ের পেশির চোটে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। তবে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে দলের সঙ্গেই ছিলেন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ডাগআউটে হাসিখুশি মেজাজে সতীর্থদের উৎসাহ দিতে দেখা যায় তাকে।
ম্যাচে মরক্কো প্রথমে এগিয়ে গেলেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দৃষ্টিনন্দন গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করে ব্রাজিল। মাঠে না খেললেও ক্যামেরার স্পটলাইট বারবার গিয়ে থামে নেইমারের দিকেই। কখনো করতালি, কখনো উচ্ছ্বাস, আবার কখনো উদ্বিগ্ন দৃষ্টিতে সতীর্থদের পাশে ছিলেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন নেইমার। সমর্থকদের কাছে তিনি শুধু একজন ফুটবলার নন, বরং এক আবেগের নাম। তাই মাঠের বাইরে থেকেও তিনি ছিলেন ব্রাজিলের অন্যতম বড় প্রেরণা।
বিশ্বকাপের পথচলা এখনও অনেক বাকি। ব্রাজিলিয়ানদের আশা, চোট কাটিয়ে খুব শিগগিরই মাঠে ফিরবেন নেইমার এবং আবারও সেলেসাওদের স্বপ্নযাত্রার নেতৃত্ব দেবেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















