ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ মাত্র ৮৫২ মিটারের জন্য রক্ষা, ভারতের স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ এড়াল বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ দুই মাসের সর্বনিম্নের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল ডিসেম্বর ঘিরে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান, এক মাসে গ্রেপ্তার ৫৩ হাজার স্বামীকে খুঁজতে ভারতে গিয়ে জানলেন তাঁর আগেই সংসার, থাই নারীর ৬০ লাখ রুপি দেওয়ার অভিযোগ ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইন্দোনেশিয়া অগ্রণী ব্যাংকের ৯১ গ্রাহকের ৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ৫ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার ছয় কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, বাড়ছে ছয় অর্থনৈতিক চাপ ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, পরে ‘জাল বিয়ের’ কাবিননামা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ছয় কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, বাড়ছে ছয় অর্থনৈতিক চাপ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ সময় দেখুন

বাংলাদেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও অনেক মানুষের আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে নতুন করে দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়ছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত চার বছরে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৮০ লাখ। এর মধ্যে গত এক বছরেই প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছেন।

শুধু বর্তমানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যাই নয়, দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর আকারও উদ্বেগজনক। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি ভবিষ্যতে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  গহিরার ইলিশ এখন অনলাইনে, বাড়ছে ইলিশের ডিমের চাহিদাও

প্রতিবেদনে দারিদ্র্য বাড়ার পেছনে ছয়টি বড় কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো—কোভিড-১৯ মহামারির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব, জ্বালানি সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে দুর্বলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কর ও ভর্তুকি ব্যবস্থার দুর্বলতা।

বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির কারণে খাদ্য, জ্বালানি, পরিবহন ও আবাসনসহ দৈনন্দিন ব্যয় বেড়েছে। সীমিত আয়ের অনেক পরিবারকে বাড়তি খরচ সামলাতে সঞ্চয় ভাঙতে বা ঋণ করতে হচ্ছে। এতে তাদের অর্থনৈতিক ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-১ গোলে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত স্পেনের

অন্যদিকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে দুর্বলতা মানুষের আয় বাড়ানোর সুযোগ সীমিত করেছে। যেসব পরিবারের পর্যাপ্ত সঞ্চয় বা সম্পদ নেই, তারা অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দিতে গিয়ে দ্রুত দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়ছেন।

বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণ বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের সাম্প্রতিক অগ্রগতির ওপরও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কয়েক বছর আগেও দারিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য ছিল। তবে বর্তমানে দারিদ্র্যে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকা বিপুল জনগোষ্ঠী অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দেনমোহর পরিশোধে গড়িমসি করলে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারবে পারিবারিক আদালত

অর্থনীতিবিদদের মতে, ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা বাড়ানোর পাশাপাশি আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকর করা না গেলে ভবিষ্যতে দারিদ্র্যের চাপ আরও বাড়তে পারে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

ছয় কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, বাড়ছে ছয় অর্থনৈতিক চাপ

আপডেটের সময়: ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও অনেক মানুষের আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে নতুন করে দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়ছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত চার বছরে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৮০ লাখ। এর মধ্যে গত এক বছরেই প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছেন।

শুধু বর্তমানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যাই নয়, দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর আকারও উদ্বেগজনক। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি ভবিষ্যতে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে দুইজনকে যাবজ্জীবন

প্রতিবেদনে দারিদ্র্য বাড়ার পেছনে ছয়টি বড় কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো—কোভিড-১৯ মহামারির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব, জ্বালানি সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে দুর্বলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কর ও ভর্তুকি ব্যবস্থার দুর্বলতা।

বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির কারণে খাদ্য, জ্বালানি, পরিবহন ও আবাসনসহ দৈনন্দিন ব্যয় বেড়েছে। সীমিত আয়ের অনেক পরিবারকে বাড়তি খরচ সামলাতে সঞ্চয় ভাঙতে বা ঋণ করতে হচ্ছে। এতে তাদের অর্থনৈতিক ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  দুধ ছাড়াই পামওয়েল-রঙে নকল ঘি, কারখানায় ২ লাখ টাকা জরিমানা

অন্যদিকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে দুর্বলতা মানুষের আয় বাড়ানোর সুযোগ সীমিত করেছে। যেসব পরিবারের পর্যাপ্ত সঞ্চয় বা সম্পদ নেই, তারা অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দিতে গিয়ে দ্রুত দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়ছেন।

বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণ বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের সাম্প্রতিক অগ্রগতির ওপরও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কয়েক বছর আগেও দারিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য ছিল। তবে বর্তমানে দারিদ্র্যে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকা বিপুল জনগোষ্ঠী অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গহিরার ইলিশ এখন অনলাইনে, বাড়ছে ইলিশের ডিমের চাহিদাও

অর্থনীতিবিদদের মতে, ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা বাড়ানোর পাশাপাশি আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকর করা না গেলে ভবিষ্যতে দারিদ্র্যের চাপ আরও বাড়তে পারে।