
দেশজুড়ে সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে টানা মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এতে বিভিন্ন অঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার রাতভর বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। নতুন নতুন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে এবং ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে স্থানীয় কৃষকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নেত্রকোণার কংস নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার প্রায় ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা আশপাশের এলাকায় বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেট, মৌলভীবাজারসহ অন্তত পাঁচটি জেলায় বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি ও নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এতে উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও ভারি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, লঘুচাপের প্রভাব আরও কয়েকদিন থাকতে পারে, ফলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















