Dhaka ০৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কোয়ালিটি এডুকেশনে গুরুত্ব, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গঠনে কাজ করছে সরকার গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২১ দিন পর উৎপাদনে ফিরেছে ডিএপি সার কারখানা রিয়ালে ফিরতে মরিনিওর ১০ শর্ত, চাপে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জুলাই শহীদ পরিবারের ক্ষোভের মুখে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম আজ ‘রাত জাগার দিন’: নীরব রাতকে উপভোগের বিশেষ উপলক্ষ হানি-ট্র্যাপ ইস্যুতে কঠোর অবস্থানে বিসিসিআই ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার সম্ভাবনা, উত্তেজনা কমাতে নতুন উদ্যোগ জামায়াত পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতন পর্যবেক্ষণ করছে: শফিকুর রহমান কফির সঙ্গে বিস্কুট নয়, কিয়ারা আদভানির ‘হেলদি বাইট’—জেনে নিন কতটা স্বাস্থ্যকর

টিকা ও ভিটামিন এ–এর ঘাটতিতে বাড়ছে হামে শিশুমৃত্যু, অপুষ্টিও বড় ঝুঁকি

 

দেশে সময়মতো টিকা না পাওয়া এবং ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন ব্যাহত হওয়ায় হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ও মৃত্যুহার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে অপুষ্টি ও মায়ের বুকের দুধ কম পাওয়াও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ও হামের উপসর্গে অন্তত ৩৪৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুনঃ  মমতার অভিযোগ: “বিজেপি নয়, লড়াই ছিল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধযোগ্য রোগ হলেও সময়মতো টিকা না দেওয়া এবং ভিটামিন এ-এর ঘাটতির কারণে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অপুষ্টি ও মায়ের বুকের দুধ কম খাওয়ার প্রবণতা।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জানাজা সম্পন্ন, মরদেহ দেশে ফিরছে শনিবার

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা দরকার হলেও বাস্তবে তা ৮২ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে। ফলে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনও নিয়মিতভাবে পরিচালিত না হওয়ায় শিশুদের দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে মায়ের দুধ খাওয়ানোর হারও কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবনে ৭ দিন জিম্মি থাকার পর ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণে মুক্ত ১১ জেলে

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একজন বলেন, “টিকা, পুষ্টি এবং সচেতনতা—এই তিনটি বিষয় ঠিকমতো না থাকায় শিশুরা সহজেই সংক্রমণের শিকার হচ্ছে এবং মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, নিয়মিত ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন পুনরায় চালু এবং পুষ্টি বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কোয়ালিটি এডুকেশনে গুরুত্ব, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গঠনে কাজ করছে সরকার

টিকা ও ভিটামিন এ–এর ঘাটতিতে বাড়ছে হামে শিশুমৃত্যু, অপুষ্টিও বড় ঝুঁকি

আপডেটের সময়: ০১:১৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

দেশে সময়মতো টিকা না পাওয়া এবং ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন ব্যাহত হওয়ায় হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ও মৃত্যুহার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে অপুষ্টি ও মায়ের বুকের দুধ কম পাওয়াও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ও হামের উপসর্গে অন্তত ৩৪৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুনঃ  ঘর দেওয়ার নামে প্রতারণা: গাইবান্ধায় প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সংগঠনের কর্মকর্তা’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধযোগ্য রোগ হলেও সময়মতো টিকা না দেওয়া এবং ভিটামিন এ-এর ঘাটতির কারণে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অপুষ্টি ও মায়ের বুকের দুধ কম খাওয়ার প্রবণতা।

আরও পড়ুনঃ   ঢাবি সাংবাদিকতা বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে ইলিয়াস-রিনভী-মাসউদ

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা দরকার হলেও বাস্তবে তা ৮২ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে। ফলে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনও নিয়মিতভাবে পরিচালিত না হওয়ায় শিশুদের দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে মায়ের দুধ খাওয়ানোর হারও কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ   বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর তৈরি ‘স্মার্ট কার’ চালালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একজন বলেন, “টিকা, পুষ্টি এবং সচেতনতা—এই তিনটি বিষয় ঠিকমতো না থাকায় শিশুরা সহজেই সংক্রমণের শিকার হচ্ছে এবং মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, নিয়মিত ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন পুনরায় চালু এবং পুষ্টি বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।