ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি অতীত ভুলে আমিরাতের সঙ্গে নতুন শুরুর ঘোষণা ইরানের চ্যালেঞ্জার গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, সর্বোচ্চ গোলদাতা রিমন মালয়েশিয়ায় যৌথ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৪৭২ বিদেশি আটক জিয়াউর রহমান হত্যা মামলা: ৪৫ বছর পর মোজাফফর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ ১২ দিনে দেশে এলো ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স শি জিনপিংয়ের বিশেষ বিমান ও বুলেটপ্রুফ গাড়িতে যেসব সুবিধা লিফট ছেড়ে সিঁড়ি বেয়ে ষষ্ঠ তলায়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আমদানি কমিয়ে দেশীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, নোটিশ আরও ১০০টিকে
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

মেহেরপুরে সাপের আতঙ্ক, কামড়ে প্রাণ হারাল স্কুলছাত্রী

মেহেরপুর জেলায় বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই বিষধর ও নির্বিষ সাপের উপদ্রব বেড়েছে। জেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘরবাড়ি, উঠান, ফসলের মাঠ ও বসতবাড়ির আশপাশে প্রায় প্রতিদিনই সাপের দেখা মিলছে। সম্প্রতি বিষধর সাপের কামড়ে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে একাধিক এলাকায় সাপ দেখা যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

গত শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে জেলার গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে নিজ শয়নকক্ষে বিষধর সাপের কামড়ে জুই (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের পাশাপাশি সাপ নিয়ে আতঙ্কও বেড়ে যায়।

একই দিন বিকেলে সাহারবাটী নীলের মাঠে জমিতে সার দিতে গেলে আইলের ওপর থাকা একটি সাপ কৃষক জিয়া উদ্দিনকে কামড়ানোর চেষ্টা করে। তবে তিনি দ্রুত পা সরিয়ে নেওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান।

সেদিন রাত প্রায় ১০টার দিকে সাহারবাটী দক্ষিণপাড়ার নুর ইসলামের বাড়িতে একটি সাপ দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা সেটিকে মেরে ফেলেন। এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে একই গ্রামের মুকাদ্দেসের বাড়ির উঠানে একটি সাপ ঘোরাফেরা করতে দেখে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় সেটিকে মেরে ফেলেন।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলে হামলায় সাময়িক বরখাস্ত আনসার সদস্য নিহত

এদিকে সোমবার গাংনী উপজেলার দেবীপুর এলাকাতেও বাড়ির গেটের সামনে একটি সাপ দেখা যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেটিও মেরে ফেলেন। পরপর এসব ঘটনায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

সাহারবাটি গ্রামের বাসিন্দা সুমন আলী বলেন, জুই নামের স্কুলছাত্রীটি মারা যাওয়ার পর থেকে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাতে বাইরে বের হলে হাতে লাইট নিয়ে চলাফেরা করি। ঘরের চারপাশ পরিষ্কার রাখছি, তবুও ভয় কাটছে না। প্রায়ই কোনো না কোনো বাড়িতে সাপ দেখা যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

একই গ্রামের আবু বক্কর বলেন, আমাদের এলাকায় আগে মাঝেমধ্যে সাপ দেখা যেত, কিন্তু এবার যেন অনেক বেশি। কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক বাড়িতে সাপ পাওয়া গেছে। একটি শিশুর মৃত্যুর পর মানুষ আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

দেবীপুর গ্রামের তামিম হোসেন বলেন, সোমবার বাড়ির গেটের সামনে একটি সাপ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেটি মারা হয়। এরপর থেকেই পরিবারের সবাই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তার ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় সাপ দেখা যায়। কোথাও সাপুড়েরা সাপ ধরে নিয়ে যান, আবার কোথাও স্থানীয়রাই সাপ মেরে ফেলেন।

আরও পড়ুনঃ  ইউক্রেন যুদ্ধে প্রায় ৫ লাখ রুশ নিহত, আহত ১৫ লাখ: যুক্তরাজ্যের সেনাপ্রধান

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, এখনও অনেক মানুষ বিশ্বাস করেন সাপে কাটলে কবিরাজের ঝাড়ফুঁকে রোগী সুস্থ হয়ে যায়। কিন্তু এতে মূল্যবান সময় নষ্ট হয় এবং সাপে কাটা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। সাপে কাটা রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিভেনম দেওয়া গেলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

স্থানীয়ভাবে সাপ ধরার কাজের সঙ্গে যুক্ত রিয়াজুল ইসলাম জানান, চলতি বছরে তিনি প্রায় সাড়ে ৩০০টি পদ্মগোখরা সাপ ধরেছেন। শুধু গত এক সপ্তাহেই প্রায় ১০০টি সাপ ধরেছেন বলে দাবি করেন তিনি। কোনো বাড়িতে সাপ দেখা গেলে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে সাপ উদ্ধার করেন। প্রায় ৩২ বছর ধরে তিনি এ কাজ করছেন। তার বাবাও একই পেশায় ছিলেন এবং বাবার কাছ থেকেই তিনি সাপ ধরার কৌশল শিখেছেন।

আরও পড়ুনঃ  মাছ-মুরগি-ডিমের বাজারে কাটেনি স্বস্তি, চাপে নিম্নআয়ের মানুষ

গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা, রাতে টর্চলাইট ব্যবহার করা এবং খালি পায়ে চলাফেরা এড়িয়ে চলা জরুরি। কোনো সাপ দেখা গেলে নিজে ধরতে বা মারতে না গিয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অভিজ্ঞ ব্যক্তির সহায়তা নিতে হবে। সাপে কামড় দিলে ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। জনসচেতনতাই সাপের কামড়ে প্রাণহানি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম আবু সাঈদ বলেন, সাপে কাটার পর অনেক পরিবার প্রথমে কবিরাজের কাছে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করাতে সময় নষ্ট করে। এতে রোগীর অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে এবং মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। জেলার তিনটি সরকারি হাসপাতালেই সাপে কাটার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। তাই সাপে কাটলে কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

মেহেরপুরে সাপের আতঙ্ক, কামড়ে প্রাণ হারাল স্কুলছাত্রী

আপডেটের সময়: ১০:০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মেহেরপুর জেলায় বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই বিষধর ও নির্বিষ সাপের উপদ্রব বেড়েছে। জেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘরবাড়ি, উঠান, ফসলের মাঠ ও বসতবাড়ির আশপাশে প্রায় প্রতিদিনই সাপের দেখা মিলছে। সম্প্রতি বিষধর সাপের কামড়ে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে একাধিক এলাকায় সাপ দেখা যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

গত শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে জেলার গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে নিজ শয়নকক্ষে বিষধর সাপের কামড়ে জুই (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের পাশাপাশি সাপ নিয়ে আতঙ্কও বেড়ে যায়।

একই দিন বিকেলে সাহারবাটী নীলের মাঠে জমিতে সার দিতে গেলে আইলের ওপর থাকা একটি সাপ কৃষক জিয়া উদ্দিনকে কামড়ানোর চেষ্টা করে। তবে তিনি দ্রুত পা সরিয়ে নেওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান।

সেদিন রাত প্রায় ১০টার দিকে সাহারবাটী দক্ষিণপাড়ার নুর ইসলামের বাড়িতে একটি সাপ দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা সেটিকে মেরে ফেলেন। এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে একই গ্রামের মুকাদ্দেসের বাড়ির উঠানে একটি সাপ ঘোরাফেরা করতে দেখে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় সেটিকে মেরে ফেলেন।

আরও পড়ুনঃ  সংসদে বক্তব্যে বাধার অভিযোগ, ‘অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে’ বললেন রুমিন

এদিকে সোমবার গাংনী উপজেলার দেবীপুর এলাকাতেও বাড়ির গেটের সামনে একটি সাপ দেখা যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেটিও মেরে ফেলেন। পরপর এসব ঘটনায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

সাহারবাটি গ্রামের বাসিন্দা সুমন আলী বলেন, জুই নামের স্কুলছাত্রীটি মারা যাওয়ার পর থেকে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাতে বাইরে বের হলে হাতে লাইট নিয়ে চলাফেরা করি। ঘরের চারপাশ পরিষ্কার রাখছি, তবুও ভয় কাটছে না। প্রায়ই কোনো না কোনো বাড়িতে সাপ দেখা যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

একই গ্রামের আবু বক্কর বলেন, আমাদের এলাকায় আগে মাঝেমধ্যে সাপ দেখা যেত, কিন্তু এবার যেন অনেক বেশি। কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক বাড়িতে সাপ পাওয়া গেছে। একটি শিশুর মৃত্যুর পর মানুষ আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

দেবীপুর গ্রামের তামিম হোসেন বলেন, সোমবার বাড়ির গেটের সামনে একটি সাপ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেটি মারা হয়। এরপর থেকেই পরিবারের সবাই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তার ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় সাপ দেখা যায়। কোথাও সাপুড়েরা সাপ ধরে নিয়ে যান, আবার কোথাও স্থানীয়রাই সাপ মেরে ফেলেন।

আরও পড়ুনঃ  মাছ-মুরগি-ডিমের বাজারে কাটেনি স্বস্তি, চাপে নিম্নআয়ের মানুষ

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, এখনও অনেক মানুষ বিশ্বাস করেন সাপে কাটলে কবিরাজের ঝাড়ফুঁকে রোগী সুস্থ হয়ে যায়। কিন্তু এতে মূল্যবান সময় নষ্ট হয় এবং সাপে কাটা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। সাপে কাটা রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিভেনম দেওয়া গেলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

স্থানীয়ভাবে সাপ ধরার কাজের সঙ্গে যুক্ত রিয়াজুল ইসলাম জানান, চলতি বছরে তিনি প্রায় সাড়ে ৩০০টি পদ্মগোখরা সাপ ধরেছেন। শুধু গত এক সপ্তাহেই প্রায় ১০০টি সাপ ধরেছেন বলে দাবি করেন তিনি। কোনো বাড়িতে সাপ দেখা গেলে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে সাপ উদ্ধার করেন। প্রায় ৩২ বছর ধরে তিনি এ কাজ করছেন। তার বাবাও একই পেশায় ছিলেন এবং বাবার কাছ থেকেই তিনি সাপ ধরার কৌশল শিখেছেন।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলে হামলায় সাময়িক বরখাস্ত আনসার সদস্য নিহত

গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা, রাতে টর্চলাইট ব্যবহার করা এবং খালি পায়ে চলাফেরা এড়িয়ে চলা জরুরি। কোনো সাপ দেখা গেলে নিজে ধরতে বা মারতে না গিয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অভিজ্ঞ ব্যক্তির সহায়তা নিতে হবে। সাপে কামড় দিলে ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। জনসচেতনতাই সাপের কামড়ে প্রাণহানি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম আবু সাঈদ বলেন, সাপে কাটার পর অনেক পরিবার প্রথমে কবিরাজের কাছে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করাতে সময় নষ্ট করে। এতে রোগীর অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে এবং মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। জেলার তিনটি সরকারি হাসপাতালেই সাপে কাটার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। তাই সাপে কাটলে কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।