ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আগস্টে টানা বৃষ্টি ও বন্যার আভাস, সাগরে একাধিক লঘুচাপের শঙ্কা সাভারে মশাল মিছিলের সময় ৯ জন গ্রেপ্তার, জব্দ ব্যানার-মশাল ও মোটরসাইকেল জয়পুরহাট-নওগাঁর নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধে ইরানকে ভারতের আহ্বান ভোজিনহার জন্য নিয়ম বদলাল চিলির লিগ, জার্সিতে থাকবে ডাকনাম জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেলের মুনাফায় রেকর্ড উল্লম্ফন জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি-বেসরকারি শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ চায় বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা ‘অনুপ্রবেশকারী নন’, দাবি শুভেন্দু অধিকারীর ‘আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল’—শিক্ষামন্ত্রী
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রামমন্দিরের ৩৫০০ কোটি রুপির দান নিয়ে প্রশ্ন, নিরীক্ষায় অনিয়মের ইঙ্গিত

ভারতের অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টে সংগৃহীত প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি রুপি দানের অর্থের হিসাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ট্রাস্টের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অনিয়ম ও স্বচ্ছতার ঘাটতির অভিযোগ উঠেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাস্ট গঠনের কয়েক মাস পরই একটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিবেদনে ট্রাস্টের কার্যক্রমকে অপেশাদার আখ্যা দিয়ে অর্থ লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করেছিল। তবে ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও সেই সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জামায়াতকে নিষিদ্ধের তিন দিনের মাথায় সরকার পালাতে বাধ্য হয়েছিল: ডা. শফিকুর রহমান

সম্প্রতি উত্তর প্রদেশ সরকারের গঠিত একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) দানের অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীর হিসাব নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনের পর ট্রাস্টের বিরুদ্ধে দানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মধ্যরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাস্টে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী জমা হলেও সেগুলোর যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না। পাশাপাশি আর্থিক লেনদেন যাচাইয়ের জন্য বহুমাত্রিক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পৃথক রেজিস্টার সংরক্ষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা কাঠামোরও ঘাটতি ছিল।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ট্রাস্টের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও নজরদারি প্রক্রিয়াও পর্যাপ্তভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি, যা ভবিষ্যতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

এদিকে, দানের অর্থ ও গয়নার হিসাব নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ বাড়ছে। বিরোধী রাজনৈতিক নেতারাও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত অবস্থান এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়; বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

আগস্টে টানা বৃষ্টি ও বন্যার আভাস, সাগরে একাধিক লঘুচাপের শঙ্কা

রামমন্দিরের ৩৫০০ কোটি রুপির দান নিয়ে প্রশ্ন, নিরীক্ষায় অনিয়মের ইঙ্গিত

আপডেটের সময়: ০৮:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ভারতের অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টে সংগৃহীত প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি রুপি দানের অর্থের হিসাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ট্রাস্টের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অনিয়ম ও স্বচ্ছতার ঘাটতির অভিযোগ উঠেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাস্ট গঠনের কয়েক মাস পরই একটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিবেদনে ট্রাস্টের কার্যক্রমকে অপেশাদার আখ্যা দিয়ে অর্থ লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করেছিল। তবে ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও সেই সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চেক বাউন্স মামলায় হাইকোর্টের বার্তা: কারাবাস নয়, অগ্রাধিকার পাবে পাওনাদারের অর্থ ফেরত

সম্প্রতি উত্তর প্রদেশ সরকারের গঠিত একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) দানের অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীর হিসাব নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনের পর ট্রাস্টের বিরুদ্ধে দানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ডিএমপির তিন থানায় নতুন ওসি, বদলি ৬ পুলিশ পরিদর্শক

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাস্টে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী জমা হলেও সেগুলোর যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না। পাশাপাশি আর্থিক লেনদেন যাচাইয়ের জন্য বহুমাত্রিক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পৃথক রেজিস্টার সংরক্ষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা কাঠামোরও ঘাটতি ছিল।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ট্রাস্টের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও নজরদারি প্রক্রিয়াও পর্যাপ্তভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি, যা ভবিষ্যতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  শিল্প-অ্যাকাডেমিয়ার সেতুবন্ধনে গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে এইচআর সামিট

এদিকে, দানের অর্থ ও গয়নার হিসাব নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ বাড়ছে। বিরোধী রাজনৈতিক নেতারাও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত অবস্থান এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়; বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন।