ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

লাইসেন্স ছাড়া স্পিচ থেরাপি নয়, দক্ষতা যাচাই বাধ্যতামূলক: বিআরসি

 

পুনর্বাসন ও স্পিচ থেরাপি সেবার মান নিশ্চিত করতে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের ওপর কঠোর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল (বিআরসি)। কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ও যুগ্মসচিব মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও লাইসেন্স ছাড়া কাউকে পুনর্বাসন বা স্পিচ থেরাপি দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরে সিআরসি সম্মেলন কক্ষে সোসাইটি অব স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টস (এসএসএলটি) আয়োজিত ছয় দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডস থেকে আসা দুই আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষক অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেন। এতে দেশের ৫৮ জন স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট অংশ নেন।

লাইসেন্সের আগে দক্ষতা যাচাই

মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, পুনর্বাসন পেশাজীবীদের দক্ষতা ও সেবার মান নিশ্চিত করার জন্য লাইসেন্স দেওয়ার আগে সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষা ও লাইসেন্স ছাড়া কেউ পুনর্বাসন কিংবা স্পিচ থেরাপি দিতে পারবেন না।

তিনি আরও বলেন, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের কোনো শেষ নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জ্ঞান, প্রযুক্তি, মতামত ও প্রশিক্ষণ নিজেদের মধ্যে বিনিময়ের মাধ্যমে সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা বিদেশে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পাশাপাশি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে এনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও জানান তিনি।

রোগীকেন্দ্রিক সেবায় গুরুত্ব

বিআরসির রেজিস্ট্রার বলেন, মানুষের অনুভূতি প্রকাশ ও অন্যের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কথা বলার সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টদের রোগীদের প্রতি আরও সংবেদনশীল হতে হবে।

আধুনিক ও সমন্বিত পদ্ধতিতে রোগীর সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত সর্বশেষ প্রযুক্তি ও চিকিৎসাপদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে তা বাস্তবে প্রয়োগের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

তিনি জানান, ২০১৭ সালে এসএসএলটি প্রতিষ্ঠার পর গত প্রায় নয় বছরে দেশের এই পেশাজীবীরা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন। সংসদে প্রণীত আইনের অধীনে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিলের অধীনে ১২টি পেশাগত শ্রেণি ও ২০ ধরনের পুনর্বাসন পেশাজীবী রয়েছেন।

পেশাজীবীদের দক্ষতা ও সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করা কাউন্সিলের অন্যতম লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ওপর জোর

মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, শুধু শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণ যথেষ্ট নয়। হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা গেলে তা আরও কার্যকর হবে।

আরও পড়ুনঃ  গুমের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ, শক্তিশালী আইন করছে সরকার

এ ধরনের প্রশিক্ষণে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি রোগীরাও উপস্থিত থাকবেন। ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা সরাসরি রোগীর সঙ্গে কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষকদের পরামর্শ

অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা ভাষা ও কথা বলার থেরাপি বিশেষজ্ঞ অ্যান-ক্যাথরিন ডেমেরেভিচ বলেন, মোটর স্পিচ ডিজঅর্ডারের কার্যকর ব্যবস্থাপনার জন্য সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, পরিবারের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক এবং রোগীর ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার সক্ষমতা প্রয়োজন।

কর্মশালায় অংশ নেওয়া পেশাজীবীদের ক্লিনিক্যাল যুক্তিবোধ ও শেখার আগ্রহের প্রশংসা করেন তিনি। বাংলাদেশে এসে এসএসএলটির পেশাগত উন্নয়নের প্রতি সংগঠনটির আন্তরিকতা তাঁকে মুগ্ধ করেছে বলেও জানান।

তিনি বলেন, নৈতিক ও প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাচর্চা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ব্যবস্থাপনা এবং স্পষ্ট পেশাগত মানদণ্ড প্রয়োজন। বিআরসির সহযোগিতা নিয়ে এসএসএলটি এই পেশাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

নেদারল্যান্ডসের প্রশিক্ষক ক্যারেন বারবারা ব্রিঙ্কম্যান বলেন, বাংলাদেশের স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টদের একাডেমিক ভিত্তি শক্তিশালী। আন্তর্জাতিক প্রম্পট প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের বিদ্যমান জ্ঞানের সঙ্গে নতুন ধারণা ও কৌশলের সমন্বয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ফেসবুক ছাড়লেন আসিফ আকবর

তিনি আরও বলেন, পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এর ভিত্তি হতে হবে প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা ও কার্যকর জ্ঞান। বিআরসি ও এসএসএলটি সমন্বিতভাবে কাজ করলে বাংলাদেশে নৈতিক পেশাগত চর্চা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার ফলাফলও উন্নত করা সম্ভব।

আরও প্রশিক্ষণের দাবি

কর্মশালায় অংশ নেওয়া কনসালট্যান্ট স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট নার্গিস জাহান বলেন, মোটর-সেন্সরি ও ট্যাকটাইল ইনপুটের মাধ্যমে স্পিচকে বোঝা ও সহায়তা করার ক্ষেত্রে প্রম্পট একটি কার্যকর পদ্ধতি। দেশে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের আয়োজন পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসএসএলটির সভাপতি ফিদা আল শামস বলেন, প্রত্যেক পেশার একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড থাকা প্রয়োজন। অনেক রোগীর অভিযোগ রয়েছে, তারা প্রকৃত ও দক্ষ থেরাপিস্টের কাছ থেকে মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন না। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না থাকা ব্যক্তিদের কারণেও এ ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

তিনি জানান, সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও এখনও নিবন্ধন পায়নি। দ্রুত সংগঠনটির নিবন্ধন দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

লাইসেন্স ছাড়া স্পিচ থেরাপি নয়, দক্ষতা যাচাই বাধ্যতামূলক: বিআরসি

আপডেটের সময়: ০১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

 

পুনর্বাসন ও স্পিচ থেরাপি সেবার মান নিশ্চিত করতে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের ওপর কঠোর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল (বিআরসি)। কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ও যুগ্মসচিব মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও লাইসেন্স ছাড়া কাউকে পুনর্বাসন বা স্পিচ থেরাপি দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরে সিআরসি সম্মেলন কক্ষে সোসাইটি অব স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টস (এসএসএলটি) আয়োজিত ছয় দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডস থেকে আসা দুই আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষক অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেন। এতে দেশের ৫৮ জন স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট অংশ নেন।

লাইসেন্সের আগে দক্ষতা যাচাই

মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, পুনর্বাসন পেশাজীবীদের দক্ষতা ও সেবার মান নিশ্চিত করার জন্য লাইসেন্স দেওয়ার আগে সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষা ও লাইসেন্স ছাড়া কেউ পুনর্বাসন কিংবা স্পিচ থেরাপি দিতে পারবেন না।

তিনি আরও বলেন, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের কোনো শেষ নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জ্ঞান, প্রযুক্তি, মতামত ও প্রশিক্ষণ নিজেদের মধ্যে বিনিময়ের মাধ্যমে সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ  সন্ধ্যার পর কিছুটা কমলেও রাতে ফের বাড়তে পারে ঘাটতি

ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা বিদেশে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পাশাপাশি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে এনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও জানান তিনি।

রোগীকেন্দ্রিক সেবায় গুরুত্ব

বিআরসির রেজিস্ট্রার বলেন, মানুষের অনুভূতি প্রকাশ ও অন্যের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কথা বলার সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টদের রোগীদের প্রতি আরও সংবেদনশীল হতে হবে।

আধুনিক ও সমন্বিত পদ্ধতিতে রোগীর সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত সর্বশেষ প্রযুক্তি ও চিকিৎসাপদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে তা বাস্তবে প্রয়োগের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

তিনি জানান, ২০১৭ সালে এসএসএলটি প্রতিষ্ঠার পর গত প্রায় নয় বছরে দেশের এই পেশাজীবীরা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন। সংসদে প্রণীত আইনের অধীনে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিলের অধীনে ১২টি পেশাগত শ্রেণি ও ২০ ধরনের পুনর্বাসন পেশাজীবী রয়েছেন।

পেশাজীবীদের দক্ষতা ও সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করা কাউন্সিলের অন্যতম লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ওপর জোর

মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, শুধু শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণ যথেষ্ট নয়। হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা গেলে তা আরও কার্যকর হবে।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এ ধরনের প্রশিক্ষণে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি রোগীরাও উপস্থিত থাকবেন। ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা সরাসরি রোগীর সঙ্গে কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষকদের পরামর্শ

অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা ভাষা ও কথা বলার থেরাপি বিশেষজ্ঞ অ্যান-ক্যাথরিন ডেমেরেভিচ বলেন, মোটর স্পিচ ডিজঅর্ডারের কার্যকর ব্যবস্থাপনার জন্য সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, পরিবারের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক এবং রোগীর ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার সক্ষমতা প্রয়োজন।

কর্মশালায় অংশ নেওয়া পেশাজীবীদের ক্লিনিক্যাল যুক্তিবোধ ও শেখার আগ্রহের প্রশংসা করেন তিনি। বাংলাদেশে এসে এসএসএলটির পেশাগত উন্নয়নের প্রতি সংগঠনটির আন্তরিকতা তাঁকে মুগ্ধ করেছে বলেও জানান।

তিনি বলেন, নৈতিক ও প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাচর্চা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ব্যবস্থাপনা এবং স্পষ্ট পেশাগত মানদণ্ড প্রয়োজন। বিআরসির সহযোগিতা নিয়ে এসএসএলটি এই পেশাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

নেদারল্যান্ডসের প্রশিক্ষক ক্যারেন বারবারা ব্রিঙ্কম্যান বলেন, বাংলাদেশের স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টদের একাডেমিক ভিত্তি শক্তিশালী। আন্তর্জাতিক প্রম্পট প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের বিদ্যমান জ্ঞানের সঙ্গে নতুন ধারণা ও কৌশলের সমন্বয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ফেসবুক ছাড়লেন আসিফ আকবর

তিনি আরও বলেন, পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এর ভিত্তি হতে হবে প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা ও কার্যকর জ্ঞান। বিআরসি ও এসএসএলটি সমন্বিতভাবে কাজ করলে বাংলাদেশে নৈতিক পেশাগত চর্চা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার ফলাফলও উন্নত করা সম্ভব।

আরও প্রশিক্ষণের দাবি

কর্মশালায় অংশ নেওয়া কনসালট্যান্ট স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট নার্গিস জাহান বলেন, মোটর-সেন্সরি ও ট্যাকটাইল ইনপুটের মাধ্যমে স্পিচকে বোঝা ও সহায়তা করার ক্ষেত্রে প্রম্পট একটি কার্যকর পদ্ধতি। দেশে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের আয়োজন পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসএসএলটির সভাপতি ফিদা আল শামস বলেন, প্রত্যেক পেশার একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড থাকা প্রয়োজন। অনেক রোগীর অভিযোগ রয়েছে, তারা প্রকৃত ও দক্ষ থেরাপিস্টের কাছ থেকে মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন না। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না থাকা ব্যক্তিদের কারণেও এ ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

তিনি জানান, সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও এখনও নিবন্ধন পায়নি। দ্রুত সংগঠনটির নিবন্ধন দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।