লালমনিরহাটে পাঁচ বছরের এক শিশুর প্রতি যৌন নির্যাতনের মামলায় আলমগীর হোসেন নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে লালমনিরহাট শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
২০১৮ সালে ঘটে ঘটনা
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই লালমনিরহাট সদর উপজেলার দক্ষিণ শিবেরকুটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেদিন পাঁচ বছরের শিশুটি কান্না করতে করতে বাড়িতে ফিরে আসে। পরে তার মা জানতে চাইলে শিশুটি প্রতিবেশী আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে চকলেট দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করে।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শিশুর বাবার মামলা, ১১ জনের সাক্ষ্য
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশোধিত ৯(১) ধারায় আলমগীর হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দেন।
রায়ে সন্তোষ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর
রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এমন রায় সমাজে অপরাধ কমাতে ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রতিবেদকের নাম 


























