বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকার পূর্ববর্তী সরকারের পথই অনুসরণ করছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে পারেনি। তাঁর দাবি, অতীতে জারি হওয়া বিতর্কিত অধ্যাদেশগুলো এখনো বহাল রাখা হয়েছে, যা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশাল নগরের ঈদগাঁহ ময়দানে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ফ্যাসিবাদ যে পথে হেঁটেছে, আপনারাও সেই পথেই হাঁটছেন। তাদের খাসলতের একটিও পরিবর্তন আনেননি।”
তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সময়ে জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশ এখনো বহাল রয়েছে। এগুলো সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাস পরও সরকার এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারেনি বলে তিনি দাবি করেন।
গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন না হলে সরকারের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। তিনি দাবি করেন, গণভোটের ফলাফল বাস্তবায়নে জনগণ সরকারকে বাধ্য করবে।
সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, বিরোধী দলগুলো রাজপথে সংঘাত চায় না; তারা দেশ গঠনের কাজে অংশ নিতে আগ্রহী। তবে দাবি-দাওয়া উপেক্ষিত হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আগামী ২৫ জুলাই সিলেটে বিরোধী জোটের সমাবেশ রয়েছে। এর আগেই সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ঘোষণা দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন। অন্যথায় ঢাকায় বৃহত্তর মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।
একই সমাবেশে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, এখনো হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি, তবে প্রয়োজন হলে এ ধরনের কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমালোচনা করে বলেন, “মুখে মধু, অন্তরে ছলনা।”
প্রতিবেদকের নাম 





















