ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মাছ-মুরগি-ডিমের বাজারে কাটেনি স্বস্তি, চাপে নিম্নআয়ের মানুষ নিখোঁজের দুই দিন পর মাটির নিচে মিলল ব্যবসায়ীর লাশ, আটক ১ হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা চেয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ, ট্রাম্পের না আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ, দেশজুড়ে বাড়ল লোডশেডিং প্রকৃতি-প্রাণীর যত্নে শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাশিয়ায় চাকরির স্বপ্ন, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত্যু—মামুনের লাশ ফেরার অপেক্ষায় পরিবার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের ৫ হাজার ডলারের প্রতিশ্রুতি—রাজনৈতিক আতঙ্কের ইঙ্গিত? ‘জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করেছে সরকারি দল’: মামুনুল হক আক্কেল দাঁত উঠলেই কেন ব্যথা হয়, কখন এটি বিপজ্জনক ৯/১১-এর ২৫ বছর: গোয়েন্দা ব্যর্থতা যেভাবে বদলে দিল বৈশ্বিক নিরাপত্তা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

১৮০ দিনের কর্মসূচিতে মৎস্য-প্রাণিসম্পদ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:২১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম দফার ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময়ে নেওয়া ৩৫টি কার্যক্রমের অধিকাংশই শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়নের হার ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ।

গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

‘জাল যার, জলা তার’ বাস্তবায়নে উদ্যোগ

নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি বাস্তবায়নে জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরের ইজারা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০০টি মৎস্যজীবী সংগঠনের নিবন্ধন ও হালনাগাদ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২৭ হাজার ৯৬৯টি জলমহালের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকাল এবং ইলিশ আহরণে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময়ে শতভাগ জেলের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

কাপ্তাই লেকের জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল ও সবজি বাগান করার জন্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ও অর্থায়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বন্যাকবলিত নেপালের পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি খেলতে চায় নেপাল

নিরাপদ মাছ ও পশুখাদ্য উৎপাদনে নজরদারি

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে তিন শতাধিক মৎস্য খাদ্য কারখানা পরিদর্শন করা হয়েছে। সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে ২৫০টি খাদ্যের নমুনা। ন্যাশনাল রেজিডিউ কন্ট্রোল প্ল্যানের আওতায় আরও ৬০টি নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে।

বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পাঙাশ মাছের জন্য স্বল্পমূল্যের খাদ্য তৈরির ফর্মুলাও উদ্ভাবন করা হয়েছে।

অন্যদিকে ৬০টি পশুখাদ্য ফিডমিল পরিদর্শনের পাশাপাশি তিন শতাধিক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে।

হ্যাচারিতে ডিজিটাল ডাটাবেজ, ১০০ খামার স্থাপন

সরকারি হ্যাচারিগুলোতে ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে ১১৪টি পরিকল্পনা নেওয়া ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উপকূলের লবণাক্ত ও খরাপ্রবণ এলাকায় কৈ, শিং, পাবদা ও পাঙাশ চাষে ১০০টি খামার স্থাপন করা হয়েছে। উদ্ভাবন করা হয়েছে পাঙাশের টিকাও।

চিংড়ি উৎপাদন, ভ্যালু এডিশন ও বাজার সম্প্রসারণে গলদা ও বাগদা চিংড়ি নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী, আমন্ত্রণের প্রক্রিয়ায় ঢাকার অসন্তোষ

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত চাষি ও খামারিদের সুরক্ষায় মৎস্য খাতে তিনটি পাইলটিং স্কিম নেওয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ খাতে ৩ হাজার ৬০০ প্রাণীকে বীমার আওতায় আনা হয়েছে।

গভীর সমুদ্রে নতুন উদ্যোগ

ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণের জন্য দুটি লং-লাইনার টুনা ভেসেল ভাড়া নেওয়া হয়েছে।

গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণের জন্য পাঁচটিসহ মোট সাতটি জাহাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়াকাটা ও সলিমপুরকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২৫টি সি-উইড চাষ প্রদর্শনী, ২৪টি সি-উইড ড্রাইং র‍্যাক বিতরণ এবং ১০০ জন চাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

মাছের উৎপাদন বাড়াতে ২২০ দশমিক ২৪ মেট্রিক টন পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে ৪০০টি বিল নার্সারি ও ৪৫টি অভয়াশ্রম।

প্রাণিসম্পদ খাতেও বিভিন্ন কার্যক্রম

মাঠপর্যায়ে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ১৮ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ছাড়া জাতীয় পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। উন্নত জাতের ২২ লাখ ডোজ সিমেন সরবরাহের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের মধ্যে ২০ হাজার ছাগল-ভেড়া এবং ৬০ হাজার হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গোবিন্দগঞ্জে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে বাসচাপায় নিহত ১

৪ হাজার ৯৪১টি শূন্যপদের বিপরীতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডে ৪৮৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

উৎপাদনের পাশাপাশি দাম কমানোর পরামর্শ

বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম খান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দাম কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়লেই যে সবার কাছে মাছ-মাংস পৌঁছাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। উৎপাদন খরচ কমাতে প্রয়োজনে কৃষির মতো ফিডেও ভর্তুকি দেওয়া দরকার।

১৮০ দিনের কার্যক্রমকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় ভালোভাবেই কর্মসূচি শেষ করেছে। এই সাফল্য ধরে রেখে বাকি কাজগুলোতেও মনোযোগ দিতে হবে।

মাছ চাষি ও খামারিদের স্বল্প সুদে ঋণ, উন্নত বাজারব্যবস্থা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞদের নিয়ে কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মাছ-মুরগি-ডিমের বাজারে কাটেনি স্বস্তি, চাপে নিম্নআয়ের মানুষ

১৮০ দিনের কর্মসূচিতে মৎস্য-প্রাণিসম্পদ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি

আপডেটের সময়: ০৮:২১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম দফার ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময়ে নেওয়া ৩৫টি কার্যক্রমের অধিকাংশই শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়নের হার ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ।

গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

‘জাল যার, জলা তার’ বাস্তবায়নে উদ্যোগ

নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি বাস্তবায়নে জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরের ইজারা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০০টি মৎস্যজীবী সংগঠনের নিবন্ধন ও হালনাগাদ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২৭ হাজার ৯৬৯টি জলমহালের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকাল এবং ইলিশ আহরণে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময়ে শতভাগ জেলের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

কাপ্তাই লেকের জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল ও সবজি বাগান করার জন্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ও অর্থায়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গ্যাস সংকট কাটলেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

নিরাপদ মাছ ও পশুখাদ্য উৎপাদনে নজরদারি

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে তিন শতাধিক মৎস্য খাদ্য কারখানা পরিদর্শন করা হয়েছে। সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে ২৫০টি খাদ্যের নমুনা। ন্যাশনাল রেজিডিউ কন্ট্রোল প্ল্যানের আওতায় আরও ৬০টি নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে।

বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পাঙাশ মাছের জন্য স্বল্পমূল্যের খাদ্য তৈরির ফর্মুলাও উদ্ভাবন করা হয়েছে।

অন্যদিকে ৬০টি পশুখাদ্য ফিডমিল পরিদর্শনের পাশাপাশি তিন শতাধিক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে।

হ্যাচারিতে ডিজিটাল ডাটাবেজ, ১০০ খামার স্থাপন

সরকারি হ্যাচারিগুলোতে ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে ১১৪টি পরিকল্পনা নেওয়া ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উপকূলের লবণাক্ত ও খরাপ্রবণ এলাকায় কৈ, শিং, পাবদা ও পাঙাশ চাষে ১০০টি খামার স্থাপন করা হয়েছে। উদ্ভাবন করা হয়েছে পাঙাশের টিকাও।

চিংড়ি উৎপাদন, ভ্যালু এডিশন ও বাজার সম্প্রসারণে গলদা ও বাগদা চিংড়ি নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নবম পে-স্কেলের গেজেট কবে, ২০ গ্রেডে কার বেতন কত?

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত চাষি ও খামারিদের সুরক্ষায় মৎস্য খাতে তিনটি পাইলটিং স্কিম নেওয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ খাতে ৩ হাজার ৬০০ প্রাণীকে বীমার আওতায় আনা হয়েছে।

গভীর সমুদ্রে নতুন উদ্যোগ

ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণের জন্য দুটি লং-লাইনার টুনা ভেসেল ভাড়া নেওয়া হয়েছে।

গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণের জন্য পাঁচটিসহ মোট সাতটি জাহাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়াকাটা ও সলিমপুরকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২৫টি সি-উইড চাষ প্রদর্শনী, ২৪টি সি-উইড ড্রাইং র‍্যাক বিতরণ এবং ১০০ জন চাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

মাছের উৎপাদন বাড়াতে ২২০ দশমিক ২৪ মেট্রিক টন পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে ৪০০টি বিল নার্সারি ও ৪৫টি অভয়াশ্রম।

প্রাণিসম্পদ খাতেও বিভিন্ন কার্যক্রম

মাঠপর্যায়ে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ১৮ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ছাড়া জাতীয় পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। উন্নত জাতের ২২ লাখ ডোজ সিমেন সরবরাহের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের মধ্যে ২০ হাজার ছাগল-ভেড়া এবং ৬০ হাজার হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি, তবে ইউরোপের বাজারে ধীরগতি ও পণ্য বৈচিত্র্যে ঘাটতি

৪ হাজার ৯৪১টি শূন্যপদের বিপরীতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডে ৪৮৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

উৎপাদনের পাশাপাশি দাম কমানোর পরামর্শ

বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম খান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দাম কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়লেই যে সবার কাছে মাছ-মাংস পৌঁছাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। উৎপাদন খরচ কমাতে প্রয়োজনে কৃষির মতো ফিডেও ভর্তুকি দেওয়া দরকার।

১৮০ দিনের কার্যক্রমকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় ভালোভাবেই কর্মসূচি শেষ করেছে। এই সাফল্য ধরে রেখে বাকি কাজগুলোতেও মনোযোগ দিতে হবে।

মাছ চাষি ও খামারিদের স্বল্প সুদে ঋণ, উন্নত বাজারব্যবস্থা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞদের নিয়ে কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।