ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঘন কুয়াশায় এফএ কাপের ম্যাচ, বলই দেখতে পাচ্ছিলেন না ধারাভাষ্যকাররা নেতানিয়াহুকে পাশ কাটিয়ে ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকট আইসিডিডিআরবিতে চিকিৎসক নিয়োগ, মাসিক বেতন প্রায় ৯৬ হাজার টাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ-সড়ক অবরোধ, বন্ধ দুই রুটের ট্রেন চলাচল ভ্যালেন্সিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বার্সার সমান পয়েন্টে রিয়াল মিরপুরে মেট্রো স্টেশনের নিচে বাসে আগুন, হতাহতের খবর নেই গভীর রাতে শেকৃবি ক্যাম্পাসে পরপর দুই ককটেল বিস্ফোরণ বিশেষ ভোটেই নির্ধারিত হবে নিউজিল্যান্ডের পরবর্তী সরকার তিন দিনের সফরে সোমবার ঢাকায় আসছেন ডাচেস অব এডিনবরা ওমান উপসাগরে জ্বলন্ত জাহাজ থেকে ২২ ক্রুকে উদ্ধার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস স্ক্রলিং করলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়ে?

 

স্মার্টফোনে রিলস বা শর্ট ভিডিও দেখা এখন শুধু তরুণদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, প্রবীণদের মাঝেও এই অভ্যাস দ্রুত বাড়ছে। অবসর সময় কাটাতে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের রিলস দেখেন কিংবা অনলাইন গেমে সময় ব্যয় করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত রিলস স্ক্রলিং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্মার্টফোন ব্যবহার সব সময় ক্ষতিকর নয়। প্রিয়জনদের সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ রাখা বা বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইনে বিভিন্ন গেম খেলা প্রবীণদের মানসিকভাবে সক্রিয় রাখতে এবং একাকীত্ব কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ‘অনেক স্ত্রী ছেড়ে চলে গেছেন, অর্পিতা যাননি’: প্রসেনজিৎ

তবে সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন ফোন ব্যবহারই দৈনন্দিন জীবনের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে একটানা রিলস বা শর্ট ভিডিও দেখার অভ্যাস স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে নিয়মিত হাঁটাচলা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং পর্যাপ্ত ঘুমের মতো গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাসগুলো ব্যাহত হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ১৪ বছরের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের ইতি, অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে আর দেখা যাবে না ম্যাক্সওয়েলকে

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত রিলস স্ক্রলিংয়ের ফলে শারীরিক সক্রিয়তা কমে যায়, যা স্থূলতা, জয়েন্টের ব্যথা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়া স্ক্রিনের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি করায় ঘুমের সমস্যা ও অনিদ্রা দেখা দিতে পারে।

এছাড়া খুব অল্প সময়ের ভিডিও নিয়মিত দেখার কারণে দীর্ঘ সময় কোনো বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত স্ক্রলিং সাময়িক আনন্দ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে মানসিক অবসাদ, একাকীত্ব এবং খিটখিটে মেজাজের মতো সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  জর্জিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো সিনেটর নির্বাচিত জন অসফ

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, স্মার্টফোন ব্যবহার যেন বিনোদন ও যোগাযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। নিয়মিত শরীরচর্চা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের মাধ্যমে প্রযুক্তি ব্যবহারে ভারসাম্য বজায় রাখাই সুস্থ থাকার অন্যতম উপায়।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ঘন কুয়াশায় এফএ কাপের ম্যাচ, বলই দেখতে পাচ্ছিলেন না ধারাভাষ্যকাররা

ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস স্ক্রলিং করলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়ে?

আপডেটের সময়: ০৯:১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

 

স্মার্টফোনে রিলস বা শর্ট ভিডিও দেখা এখন শুধু তরুণদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, প্রবীণদের মাঝেও এই অভ্যাস দ্রুত বাড়ছে। অবসর সময় কাটাতে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের রিলস দেখেন কিংবা অনলাইন গেমে সময় ব্যয় করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত রিলস স্ক্রলিং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্মার্টফোন ব্যবহার সব সময় ক্ষতিকর নয়। প্রিয়জনদের সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ রাখা বা বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইনে বিভিন্ন গেম খেলা প্রবীণদের মানসিকভাবে সক্রিয় রাখতে এবং একাকীত্ব কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

তবে সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন ফোন ব্যবহারই দৈনন্দিন জীবনের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে একটানা রিলস বা শর্ট ভিডিও দেখার অভ্যাস স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে নিয়মিত হাঁটাচলা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং পর্যাপ্ত ঘুমের মতো গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাসগুলো ব্যাহত হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ১৪ বছরের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের ইতি, অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে আর দেখা যাবে না ম্যাক্সওয়েলকে

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত রিলস স্ক্রলিংয়ের ফলে শারীরিক সক্রিয়তা কমে যায়, যা স্থূলতা, জয়েন্টের ব্যথা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়া স্ক্রিনের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি করায় ঘুমের সমস্যা ও অনিদ্রা দেখা দিতে পারে।

এছাড়া খুব অল্প সময়ের ভিডিও নিয়মিত দেখার কারণে দীর্ঘ সময় কোনো বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত স্ক্রলিং সাময়িক আনন্দ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে মানসিক অবসাদ, একাকীত্ব এবং খিটখিটে মেজাজের মতো সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  জর্জিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো সিনেটর নির্বাচিত জন অসফ

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, স্মার্টফোন ব্যবহার যেন বিনোদন ও যোগাযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। নিয়মিত শরীরচর্চা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের মাধ্যমে প্রযুক্তি ব্যবহারে ভারসাম্য বজায় রাখাই সুস্থ থাকার অন্যতম উপায়।