
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় চালক, সহকারী ও সুপারভাইজরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবুজার গিফারী বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বাসচালক ঝন্টু আলী (৪৮), সুপারভাইজর আজমল হোসেন (৩৮) এবং সহকারী শাকিব হোসেন (২২)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেহেরপুরের গাংনী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ঘাটে পৌঁছায়। ফেরিতে ওঠার আগে নৌ-পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রায় ৩৭ থেকে ৪০ জন যাত্রী নেমে যান।
অভিযোগে বলা হয়, এরপর চালক ঝন্টু আলী বাসটি স্টার্ট দিয়ে বেপরোয়া ও অবহেলামূলকভাবে চালাতে শুরু করেন। নির্ধারিত ফেরিতে না উঠে দ্রুতগতিতে পন্টুন অতিক্রম করে ‘করবী অক্সফ্যাম’ ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ফেরির শেষ প্রান্তের র্যাম্পে সজোরে ধাক্কা লাগলে র্যাম্পের শিকল ও সিটকিনি ছিঁড়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
এ ঘটনায় ফেরির অবকাঠামো এবং যাত্রীদের মালামালের ক্ষতিসহ প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, নৌ-পুলিশের দায়ের করা মামলায় চালক, হেলপার ও সুপারভাইজরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত পরিবহন কর্তৃপক্ষের অন্যান্য দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 
























