
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপটে মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর ইসরায়েলের সম্ভাব্য গোয়েন্দা নজরদারি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিআইএ) সম্প্রতি ইসরায়েলের কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স হুমকির মাত্রা সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে উন্নীত করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান ও সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল সফরে যাওয়া মার্কিন কর্মকর্তাদের এখন বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তারা বার্নার ফোন, অস্থায়ী কম্পিউটার ব্যবহার করছেন এবং সংবেদনশীল বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে চলছেন।
ডিআইএর একটি অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান-সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে ইসরায়েল আগ্রাসী তৎপরতা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে দেশটির গোয়েন্দা ও প্রযুক্তিগত তথ্য সংগ্রহ সক্ষমতাকে উচ্চ ঝুঁকির হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের প্রতিরক্ষা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এমিলি হার্ডিং বলেন, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অত্যন্ত সক্রিয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তাদের গভীর আগ্রহ রয়েছে।
তবে এ অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইসরায়েল। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত দেশটির দূতাবাসের এক মুখপাত্র দাবি করেন, ইসরায়েল মার্কিন কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো গোয়েন্দা তৎপরতা চালায় না। তাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম কেবল শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়।
এদিকে হোয়াইট হাউসও এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনের তথ্যকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মিত্র দেশগুলোর মধ্যে সীমিত গোয়েন্দা তৎপরতা নতুন নয়। তবে বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা মনে করছেন, ইসরায়েলের সাম্প্রতিক কার্যক্রম প্রচলিত সীমার বাইরে চলে যেতে পারে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
প্রতিবেদকের নাম 























