যশোরে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং মামলায় আত্মসমর্পণকারী চাকরিচ্যুত পুলিশ কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী ফারহানা ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে যশোরের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস. এম. নূরুল ইসলাম তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী আসাদুজ্জামান খান সেলিম।
মামলার নথি অনুযায়ী, জসিম উদ্দিন ২০০২ সালে বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন এবং ২০১২ সালে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) পদে পদোন্নতি পান। দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১৮ মে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
পরে দুদকের তদন্তে জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রীর নামে মোট ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ২৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে মাত্র ৬ লাখ টাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে তাদের ১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৫ হাজার ২৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ থাকার অভিযোগ উঠে।
এ ঘটনায় ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয় মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে জসিম দম্পতিকে পলাতক দেখানো হয়েছিল।
আদালত ইতোমধ্যে মামলার ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন করেছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর বৃহস্পতিবার জসিম উদ্দিন ও ফারহানা ইসলাম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রতিবেদকের নাম 




















