
মুসলমানের জীবনে আজান একটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আহ্বান। মুয়াজ্জিন যখন আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে নামাজের দিকে আহ্বান জানান, তখন একজন মুমিনের উচিত মনোযোগ দিয়ে আজানের জবাব দেওয়া এবং এরপর রাসুলুল্লাহ (সা.) শেখানো দোয়াগুলো পাঠ করা।
হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজান শুনে নিম্নোক্ত সাক্ষ্য পাঠ করবে, তার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا، وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا، وَبِالإِسْلَامِ دِينًا
উচ্চারণ : আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ দাহু, লা শারিকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু। রাদিতু বিল্লাহি রাব্বা, ওয়া বিমুহাম্মাদিন (সা.) রাসুলা, ওয়া বিল ইসলামি দ্বীনা।
অর্থ : ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসুল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মুহাম্মদ (সা.)-কে রাসুল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করেছি।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৩৮৬, আবু দাউদ, হাদিস : ৫২৫, তিরমিজি, হাদিস : ২১০)
Arif 














