ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) তেলবাহী দুটি ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় মার্কিন বাহিনীর অভিযানের সময় ট্যাংকার দুটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর পর এবারই প্রথম ইরানের কোনো জাহাজে সরাসরি হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোর চলাচলে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটলেও সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটেনি।
এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার’ নীতির অনুমোদন দিয়েছেন। এই নীতির আওতায় ইরানের তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।
অর্থাৎ, ইরান কোনো ট্যাংকারে হামলা চালালে পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু করার নীতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
জানা গেছে, হামলার শিকার দুটি ট্যাংকার ইরানের উপকূলে মার্কিন বাহিনীর নৌ-অবরোধের উত্তর দিকে অবস্থান করছিল। এ সময় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে জাহাজ দুটিতে হামলা চালানো হয়। এতে ট্যাংকারগুলোর ইঞ্জিন রুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরান যাতে তাদের রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে না পারে, সে লক্ষ্যেও বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের তেলবাহী ট্যাংকারে হামলাও ওই পরিকল্পনার অংশ।
প্রতিবেদকের নাম 




















