জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা কয়েকটি ছবিতে তাঁকে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আদলে সাজতে দেখা গেছে। ছবিগুলো ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।
গত ১৭ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেন মেঘনা। ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর আসনটি শূন্য হয়।
মেঘনা নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন। এরপর ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎ শেষে নিজের কিছু ছবি প্রকাশ করেন মেঘনা।
ছবিতে তাঁকে খালেদা জিয়ার মতো শাড়ি পরতে দেখা যায়। চুলের সাজ, মাথায় ঘোমটা এবং গলায় মুক্তার মালার মধ্যেও ছিল প্রয়াত বিএনপি নেত্রীর সাজের অনুকরণ। ছবিগুলো প্রকাশের পর নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা জানিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দেন মেঘনা। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পেরে সম্মানিত। কিছু মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি ভাগ করে নিয়েছি। আশা করি, আল্লাহ আমাদের এই সংসদকে সত্যিই দক্ষ এবং কার্যকর করতে সাহায্য করবেন। আলহামদুলিল্লাহ।’
ছবিগুলোতে তাঁর সাজ নিয়ে মন্তব্যের জবাবও দিয়েছেন মেঘনা। এক ব্যক্তি জানতে চান, খালেদা জিয়ার আদলে তাঁকে দেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুভূতি কেমন ছিল। জবাবে মেঘনা বলেন, সম্মানিত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। তাঁর ভাষ্য, বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়নি; তিনি শুধু মার্জিত ও আন্তরিক দেখাতে চেয়েছিলেন। তবে মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় তিনি আনন্দিত।
একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর শান্তি কামনা করেন মেঘনা।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
মডেলিংয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া মেঘনা আলম সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যের কারণে আলোচনায় রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং সংসদকে কার্যকর করার প্রত্যাশা জানিয়ে দেওয়া তাঁর পোস্টকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।
প্রতিবেদকের নাম 




















