পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সঞ্চালন লাইন উন্নয়নকাজের কারণে কুড়িগ্রামসহ নেসকোর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় প্রায় এক সপ্তাহ আংশিক লোডশেডিং হতে পারে।
নেসকোর কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং (জি-টু-জি)’ প্রকল্পের কাজের জন্য রংপুর-কুড়িগ্রাম, রংপুর-লালমনিরহাট ও রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেওয়া হবে।
সূচি অনু
গ্রিড উন্নয়নকাজে কুড়িগ্রামে এক সপ্তাহ লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সঞ্চালন লাইন উন্নয়নকাজের কারণে কুড়িগ্রামসহ নেসকোর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় প্রায় এক সপ্তাহ আংশিক লোডশেডিং হতে পারে।
নেসকোর কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং (জি-টু-জি)’ প্রকল্পের কাজের জন্য রংপুর-কুড়িগ্রাম, রংপুর-লালমনিরহাট ও রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেওয়া হবে।
সূচি অনুযায়ী, ২৭ জুলাই সকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রংপুর-লালমনিরহাট ও রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের একটি অংশ বন্ধ থাকবে। এছাড়া ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনও শাটডাউনে রাখা হবে।
এ সময় নেসকোর আওতাধীন বিভিন্ন ৩৩ কেভি ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আংশিক লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ থাকলে নিরবচ্ছিন্ন সেবা বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এই উন্নয়নকাজের প্রভাব নেসকো ও পল্লী বিদ্যুতের উভয় গ্রাহকই অনুভব করবেন। তবে ৫ আগস্টের পর সঞ্চালন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যায়ী, ২৭ জুলাই সকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রংপুর-লালমনিরহাট ও রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের একটি অংশ বন্ধ থাকবে। এছাড়া ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনও শাটডাউনে রাখা হবে।
এ সময় নেসকোর আওতাধীন বিভিন্ন ৩৩ কেভি ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আংশিক লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ থাকলে নিরবচ্ছিন্ন সেবা বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এই উন্নয়নকাজের প্রভাব নেসকো ও পল্লী বিদ্যুতের উভয় গ্রাহকই অনুভব করবেন। তবে ৫ আগস্টের পর সঞ্চালন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















