ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গণতান্ত্রিক বিএনপি গঠনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করলেন মির্জা ফখরুল নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হলো আরও ৫০০ শয্যা গ্যাসের সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বাড়ছে চালকদের দুর্ভোগ বাংলাদেশের দাপটে দিশেহারা অস্ট্রেলিয়া, নাহিদ রানাকে মিস করছেন গিলেস্পি হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল ‘মজার ছলে’: মার্কিন সংবাদমাধ্যম আগস্টের শেষ সপ্তাহে ভারত যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসায় অর্থ বাধা হবে না, দেশেই উন্নত সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্য তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের লিড ২১৯ গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com
টিভিরও কি ‘মেয়াদ’ থাকে?

জানুন বাস্তব টিভি আয়ু ও নষ্ট হওয়ার কারণ

 

নতুন টিভি কেনার সময় সাধারণত ডিসপ্লের মান, স্ক্রিন সাইজ, রেজল্যুশন বা স্মার্ট ফিচার নিয়েই বেশি ভাবা হয়। কিন্তু অনেকেই খেয়াল করেন না একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—টিভির কার্যকর আয়ু বা “এক্সপায়ারি” সময়।

বাস্তবে টিভির গায়ে কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ লেখা না থাকলেও এর বিভিন্ন যন্ত্রাংশের একটি সীমিত কার্যক্ষমতা থাকে। বিশেষ করে আধুনিক এলইডি, ওএলইডি ও মিনি এলইডি টিভির ক্ষেত্রে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুনঃ  বিসিবির লেভেল-২ কোচিং কোর্সে পাস মাত্র ৮, ফেল ২৪

ডিসপ্লে প্যানেলই টিভির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক ডিসপ্লে প্রায় ১ লাখ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে। গড়ে দিনে ৫–৬ ঘণ্টা ব্যবহার ধরলে একটি টিভি তাত্ত্বিকভাবে বহু বছর চলার কথা।

আরও পড়ুনঃ  সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের

তবে বাস্তবে বেশিরভাগ টিভি ৭ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই কোনো না কোনো সমস্যার মুখে পড়ে। কারণ ডিসপ্লে ঠিক থাকলেও পাওয়ার সাপ্লাই, ব্যাকলাইট, মাদারবোর্ড বা কন্ট্রোল চিপের মতো অংশগুলো আগে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ভোল্টেজের ওঠানামা, ধুলোবালি ও আর্দ্রতাও এর আয়ু কমিয়ে দেয়।

ওএলইডি টিভির ক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যা হলো ‘বার্ন-ইন’। দীর্ঘ সময় একই লোগো বা স্থির ছবি স্ক্রিনে থাকলে সেটির ছাপ স্থায়ীভাবে থেকে যেতে পারে, যা পরবর্তীতে ডিসপ্লের মান কমিয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ  রাতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে অটোরিকশা-ইবাইক চার্জে: জ্বালানিমন্ত্রী

সব মিলিয়ে বলা যায়, টিভির কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ না থাকলেও এর ব্যবহারযোগ্য জীবন নির্ভর করে ব্যবহার, পরিবেশ ও যত্নের ওপর।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

গণতান্ত্রিক বিএনপি গঠনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করলেন মির্জা ফখরুল

টিভিরও কি ‘মেয়াদ’ থাকে?

জানুন বাস্তব টিভি আয়ু ও নষ্ট হওয়ার কারণ

আপডেটের সময়: ০৭:৪৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

 

নতুন টিভি কেনার সময় সাধারণত ডিসপ্লের মান, স্ক্রিন সাইজ, রেজল্যুশন বা স্মার্ট ফিচার নিয়েই বেশি ভাবা হয়। কিন্তু অনেকেই খেয়াল করেন না একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—টিভির কার্যকর আয়ু বা “এক্সপায়ারি” সময়।

বাস্তবে টিভির গায়ে কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ লেখা না থাকলেও এর বিভিন্ন যন্ত্রাংশের একটি সীমিত কার্যক্ষমতা থাকে। বিশেষ করে আধুনিক এলইডি, ওএলইডি ও মিনি এলইডি টিভির ক্ষেত্রে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুনঃ  প্রশিক্ষণের সময় তুরস্কে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

ডিসপ্লে প্যানেলই টিভির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক ডিসপ্লে প্রায় ১ লাখ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে। গড়ে দিনে ৫–৬ ঘণ্টা ব্যবহার ধরলে একটি টিভি তাত্ত্বিকভাবে বহু বছর চলার কথা।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্র পুনর্গঠনে ‘থ্রি-আর’ কৌশল, লক্ষ্য সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

তবে বাস্তবে বেশিরভাগ টিভি ৭ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই কোনো না কোনো সমস্যার মুখে পড়ে। কারণ ডিসপ্লে ঠিক থাকলেও পাওয়ার সাপ্লাই, ব্যাকলাইট, মাদারবোর্ড বা কন্ট্রোল চিপের মতো অংশগুলো আগে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ভোল্টেজের ওঠানামা, ধুলোবালি ও আর্দ্রতাও এর আয়ু কমিয়ে দেয়।

ওএলইডি টিভির ক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যা হলো ‘বার্ন-ইন’। দীর্ঘ সময় একই লোগো বা স্থির ছবি স্ক্রিনে থাকলে সেটির ছাপ স্থায়ীভাবে থেকে যেতে পারে, যা পরবর্তীতে ডিসপ্লের মান কমিয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ  খরচ ও ভর্তুকি কমাতে ন্যানো সারের দিকে সরকারের নজর

সব মিলিয়ে বলা যায়, টিভির কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ না থাকলেও এর ব্যবহারযোগ্য জীবন নির্ভর করে ব্যবহার, পরিবেশ ও যত্নের ওপর।