ঢাকার নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের নয়াকান্দা ও দড়িকান্দা গ্রামে বিভিন্ন ধরনের ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেছে সামাজিক সংগঠন বৃক্ষবন্ধু পরিষদ।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, মসজিদের পাশে খালি জায়গা ও রাস্তার দুপাশে নানা প্রজাতির চারা রোপণ ও বিতরণ করেন সংগঠনের সদস্যরা। এসব চারার মধ্যে রয়েছে হিমসাগর, গৌরমতি, বারি-৪, বারোমাসি কাটিমন, মল্লিকা আম, দার্জিলিং কমলা, ড্রাগন, উন্নতজাতের জাম, শরবতি কাঠবেল, কাঁঠাল ও থাই বারোমাসি কদবেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
বৃক্ষবন্ধু পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী বলেন, মানুষ ও পাখিদের খাবারের জন্য ফলের চারা রোপণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করাই সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ বাবুল মিয়া বলেন, ‘গাছ আমাদের বন্ধু, অক্সিজেনের সিন্ধু, গাছের ফল না বিকাবো, পাখির জন্য রেখে খাবো’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সবার সহযোগিতায় ফলদ বৃক্ষরোপণ ও উপহার বিতরণের কার্যক্রম সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চান তারা।
সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন মিল্টন জানান, চারা রোপণ ও বিতরণ করেই তাদের দায়িত্ব শেষ হয় না। কিছুদিন পরপর সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ একেএম মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গাছগুলোর দেখভাল করে।
এদিন নয়াকান্দা হামিদ আলী উচ্চবিদ্যালয়ে হযরত বিনদ শাহ্ (র.), এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আলী আহমেদ, দড়িকান্দার মরহুম হাজী মোহাম্মদ বিনদ বেপারী, নয়াকান্দার মরহুম আমিন আহমেদ চৌধুরী, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নয়াকান্দা ও দড়িকান্দা গ্রামের মানুষের পক্ষ থেকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে বিভিন্ন উন্নতজাতের আমের চারা রোপণ করা হয়।
চারা রোপণ ও বিতরণকালে সংগঠনের উপদেষ্টা বেগম বেদৌরা আলী শিমুল, আবু তাহের সান্টু, হায়দার আলী, পৃষ্ঠপোষক শেখ সেলিম, আনোয়ারা আক্তার, বেনজির ফারিয়াল, ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল কায়সার সুরুজ, আঞ্জু কবির, ফেরদৌসী খানম, কার্যকরী সদস্য আবুল হোসেন মোল্লা, তামিম আদনান, মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন, উজ্জ্বল আহমেদ, মো. মিন্টু, বিল্লাল খান দুলাল ও সুবর্ণা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
📋 কপি করার জন্য
শিরোনাম:
নবাবগঞ্জে ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করল বৃক্ষবন্ধু পরিষদ
সংবাদ:
ঢাকার নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের নয়াকান্দা ও দড়িকান্দা গ্রামে বিভিন্ন ধরনের ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেছে সামাজিক সংগঠন বৃক্ষবন্ধু পরিষদ।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, মসজিদের পাশে খালি জায়গা ও রাস্তার দুপাশে নানা প্রজাতির চারা রোপণ ও বিতরণ করেন সংগঠনের সদস্যরা। এসব চারার মধ্যে রয়েছে হিমসাগর, গৌরমতি, বারি-৪, বারোমাসি কাটিমন, মল্লিকা আম, দার্জিলিং কমলা, ড্রাগন, উন্নতজাতের জাম, শরবতি কাঠবেল, কাঁঠাল ও থাই বারোমাসি কদবেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
বৃক্ষবন্ধু পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী বলেন, মানুষ ও পাখিদের খাবারের জন্য ফলের চারা রোপণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করাই সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ বাবুল মিয়া বলেন, ‘গাছ আমাদের বন্ধু, অক্সিজেনের সিন্ধু, গাছের ফল না বিকাবো, পাখির জন্য রেখে খাবো’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সবার সহযোগিতায় ফলদ বৃক্ষরোপণ ও উপহার বিতরণের কার্যক্রম সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চান তারা।
সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন মিল্টন জানান, চারা রোপণ ও বিতরণ করেই তাদের দায়িত্ব শেষ হয় না। কিছুদিন পরপর সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ একেএম মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গাছগুলোর দেখভাল করে।
এদিন নয়াকান্দা হামিদ আলী উচ্চবিদ্যালয়ে হযরত বিনদ শাহ্ (র.), এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আলী আহমেদ, দড়িকান্দার মরহুম হাজী মোহাম্মদ বিনদ বেপারী, নয়াকান্দার মরহুম আমিন আহমেদ চৌধুরী, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নয়াকান্দা ও দড়িকান্দা গ্রামের মানুষের পক্ষ থেকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে বিভিন্ন উন্নতজাতের আমের চারা রোপণ করা হয়।
চারা রোপণ ও বিতরণকালে সংগঠনের উপদেষ্টা বেগম বেদৌরা আলী শিমুল, আবু তাহের সান্টু, হায়দার আলী, পৃষ্ঠপোষক শেখ সেলিম, আনোয়ারা আক্তার, বেনজির ফারিয়াল, ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল কায়সার সুরুজ, আঞ্জু কবির, ফেরদৌসী খানম, কার্যকরী সদস্য আবুল হোসেন মোল্লা, তামিম আদনান, মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন, উজ্জ্বল আহমেদ, মো. মিন্টু, বিল্লাল খান দুলাল ও সুবর্ণা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদকের নাম 























