ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জিয়ার সৈনিকরা গত ১৬-১৭ বছরে শেখ হাসিনার একটি চুলও বাঁকা করতে পারেনি: সারজিস আলম  ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামছে ব্রাজিল, কবে, কখন ও কোথায় হবে ঐতিহাসিক ম্যাচ? বিএনপির পরিণতি শেখ হাসিনার চেয়ে আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক জোরদারে ফলপ্রসূ আলোচনা: ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর বগুড়ায় ক্লিনিককে ৬০ হাজার, ভুয়া চিকিৎসককে ১ লাখ টাকা জরিমানা আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৬৫তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত বন্ধ শিল্পকারখানা চালু ও বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ হজের খরচ আরও কমাতে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা: বিমান প্রতিমন্ত্রী ‘তারেক রহমান কি শেখ হাসিনা হতে চান?’—হামলার পর প্রশ্ন সারজিস আলমের প্রেমের বিরোধে কিশোরী তানজিলা হত্যা, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ঘাতক প্রেমিক
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের কাঠালতলী বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি মাধবখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মো. মিজানুর রহমান লাভলু কাজীর। ঘটনার সময় বাড়িটি তালাবদ্ধ ছিল এবং সেখানে কেউ অবস্থান করছিলেন না।

লাভলু কাজীর অভিযোগ, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা এস্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে তার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেন। পরে ঘরের মালামাল লুট করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও দাবি করেন, হামলার নেতৃত্বে ছিলেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই ও মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহীন চৌধুরী।

আরও পড়ুনঃ  আগামী ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার শূন্য ব্যয় থেকে লাভজনক হবে: তথ্যমন্ত্রী

ঘটনার সময় লাভলু কাজীর ভাই মশিউর রহমান বাবলু কাজী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের দৃশ্য প্রকাশ করেন। তার অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাইলেও তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলের জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। ২০০৩ সালে জমিটি পাবলিক লাইব্রেরির নামে নিবন্ধিত হয়। এক পক্ষের দাবি, জমির কিছু অংশ লাভলু কাজীর মালিকানাধীন; অন্য পক্ষের দাবি, অধিকাংশ জমিই সরকারি গণগ্রন্থাগারের। জমি উদ্ধারের দাবিতে পটুয়াখালী সরকারি গণগ্রন্থাগারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে আসছে আধুনিক ৪জি-৫জি নেটওয়ার্ক

অভিযোগের বিষয়ে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত শাহীন চৌধুরীর সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির (স্থগিত কমিটি) সভাপতি শাহাবুদ্দিন নান্নু মুন্সী বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা নেই। কেউ ব্যক্তিগতভাবে অপরাধ করে থাকলে তার দায় দল নেবে না। তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  এমএফএসের ‘অতিরিক্ত’ সার্ভিস চার্জ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ভাঙচুরের আলামত পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললেও কেউ এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। তিনি বলেন, জমির মালিকানা-সংক্রান্ত বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত করছেন এবং সেই তদন্ত চলাকালেই এ ঘটনা ঘটেছে।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জিয়ার সৈনিকরা গত ১৬-১৭ বছরে শেখ হাসিনার একটি চুলও বাঁকা করতে পারেনি: সারজিস আলম

পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৯:০২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের কাঠালতলী বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি মাধবখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মো. মিজানুর রহমান লাভলু কাজীর। ঘটনার সময় বাড়িটি তালাবদ্ধ ছিল এবং সেখানে কেউ অবস্থান করছিলেন না।

লাভলু কাজীর অভিযোগ, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা এস্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে তার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেন। পরে ঘরের মালামাল লুট করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও দাবি করেন, হামলার নেতৃত্বে ছিলেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই ও মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহীন চৌধুরী।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল হাসিমাখা সেই তাহসিন

ঘটনার সময় লাভলু কাজীর ভাই মশিউর রহমান বাবলু কাজী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের দৃশ্য প্রকাশ করেন। তার অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাইলেও তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলের জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। ২০০৩ সালে জমিটি পাবলিক লাইব্রেরির নামে নিবন্ধিত হয়। এক পক্ষের দাবি, জমির কিছু অংশ লাভলু কাজীর মালিকানাধীন; অন্য পক্ষের দাবি, অধিকাংশ জমিই সরকারি গণগ্রন্থাগারের। জমি উদ্ধারের দাবিতে পটুয়াখালী সরকারি গণগ্রন্থাগারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জেদ্দায় ইসলামি শিল্পের অনন্য ভাণ্ডার, ১৫ শতকের ঐতিহ্য নিয়ে বিশেষ জাদুঘর

অভিযোগের বিষয়ে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত শাহীন চৌধুরীর সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির (স্থগিত কমিটি) সভাপতি শাহাবুদ্দিন নান্নু মুন্সী বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা নেই। কেউ ব্যক্তিগতভাবে অপরাধ করে থাকলে তার দায় দল নেবে না। তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  এমএফএসের ‘অতিরিক্ত’ সার্ভিস চার্জ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ভাঙচুরের আলামত পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললেও কেউ এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। তিনি বলেন, জমির মালিকানা-সংক্রান্ত বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত করছেন এবং সেই তদন্ত চলাকালেই এ ঘটনা ঘটেছে।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।