
পদ্মা নদীতে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ভয়াবহ সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিয়েছেন বাসচালক ঝন্টু আলী (৪৭)। তিনি জানান, যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে তিনি ও তার হেলপার বাসটি নিয়ে সংযোগ সড়ক ধরে পন্টুনের দিকে যাচ্ছিলেন। তবে অল্প দূর এগোতেই বাসটির ব্রেক হঠাৎ অকার্যকর হয়ে পড়ে।
ঝন্টু আলী বলেন, “আমি যখন ব্রেকে চাপ দিই, তখন বুঝতে পারি গাড়ির ব্রেক কাজ করছে না। সঙ্গে সঙ্গে হেলপারকে বলি, ‘গাড়ির ব্রেক কাজ করছে না, তুই লাফ দে।’ এরপর বাসটির গতি আরও বেড়ে যায়।”
তিনি আরও জানান, নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসটি পন্টুনের ওপর উঠে ব্যারিকেড ভেঙে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
চালকের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় বাসের ভেতরে কোনো যাত্রী ছিলেন না। তিনি একাই গাড়িতে ছিলেন। হেলপার তার নির্দেশ পেয়ে আগেই লাফ দিয়ে নিরাপদে নেমে যান।
ঝন্টু আলী বলেন, “বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার পর আমি জানালা দিয়ে বের হয়ে আসি। পরে সাঁতরে তীরে পৌঁছাই। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় নদী থেকে উপরে উঠতে সক্ষম হই।”
এ ঘটনায় বাসটি নদীতে তলিয়ে গেলেও যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে কী কারণে বাসটির ব্রেক বিকল হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদকের নাম 



















