ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মালয়েশিয়ায় ২৭ বাংলাদেশি আটক সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার তরুণ শিক্ষার্থীদের এআই-রোবটিক্সে দক্ষতা অর্জন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী জেদ্দায় মিসাইল আতঙ্কে ছুটোছুটি, সিঁড়ি থেকে পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, নিন্দা জানাই: জামায়াত আমির ইতালির বিনিয়োগ আকর্ষণে চামড়া খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা দাম্পত্যের ২০ বছর পূর্তিতে ফের ‘বিয়ে’ করলেন সুরিয়া-জ্যোতিকা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে মাদরাসাও আসবে মনিটরিংয়ের আওতায়: ববি হাজ্জাজ কুকুরের লালা কাপড়ে লাগলে কতবার ধুতে হবে? গাজাজুড়ে ঝুঁকিতে অন্তত দুই হাজার ভবন, নিখোঁজ শতাধিক: গাজার স্বাস্থ্য মহাপরিচালক
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

মুরগির পেটে পাওয়া ডিম খাওয়া যাবে? যেসব বিষয় আগে জানা জরুরি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৩২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১ সময় দেখুন

মুরগি কাটার সময় পেটের ভেতরে অনেক সময় আস্ত বা আধা-গঠিত ডিম পাওয়া যায়। কারও কাছে এটি পরিচিত খাবার, আবার কেউ স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কায় ফেলে দেন। তবে মুরগির পেটে পাওয়া এই ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ডিমটি অক্ষত থাকলে এবং মুরগির পেটের বর্জ্য দিয়ে দূষিত না হলে যথাযথভাবে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। তবে সামান্য সন্দেহ থাকলেও তা না খাওয়াই নিরাপদ।

ডিমটি অক্ষত কি না দেখুন

মুরগির পেটে থাকা ডিম যদি খোলস বা পাতলা আবরণের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে, তাহলে সেটি রান্না করা যেতে পারে। তবে বের করার সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে ডিমটি ফেটে না যায় এবং মুরগির ভেতরের ময়লা বা বর্জ্য এতে না লাগে।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বিএনপি ভুলে গেছে: জামায়াত আমির

ডিমের আবরণ ভেঙে গেলে কিংবা ডিমের গায়ে পিত্তথলি বা নাড়িভুঁড়ির বর্জ্য লেগে গেলে সেটি খাওয়া নিরাপদ নয়। বিশেষ করে বেশি পরিমাণ বর্জ্য দিয়ে ডিম দূষিত হলে তা অক্ষত দেখালেও ফেলে দেওয়া উচিত।

এ ছাড়া ডিম থেকে অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ বের হলে সেটিও না খাওয়াই ভালো।

রান্নার আগে কী করবেন

ডিমটি পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পানি দিয়ে ধোয়ার প্রয়োজন নেই। খোলস বা পাতলা আবরণের ওপর দৃশ্যমান ময়লা থাকলে টিস্যু দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিতে পারেন।

এ ধরনের ডিম দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ না করে দ্রুত রান্না করে নেওয়াই ভালো।

ভালোভাবে সেদ্ধ করা জরুরি

ডিম যে পদেই রান্না করা হোক না কেন, ভেতরের অংশ পুরোপুরি সেদ্ধ হওয়া নিশ্চিত করতে হবে। অল্প সময় উচ্চ তাপে রান্না করলে বাইরে সিদ্ধ হলেও ভেতরটা কাঁচা থেকে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  আশা এনজিওতে নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে

তাই মাঝারি আঁচে পর্যাপ্ত সময় রান্না করা উচিত। ডিম সেদ্ধ হয়েছে কি না নিশ্চিত হতে একটি ডিম তুলে মাঝখান কেটে দেখা যেতে পারে। ভেতরের অংশ নরম বা কাঁচা থাকলে আরও কিছু সময় রান্না করতে হবে।

জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি আছে

মুরগির পেট থেকে নিরাপদে বের করা এবং সঠিকভাবে রান্না করা ডিমে পুষ্টি উপাদান থাকতে পারে। এতে আমিষ, ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন ও ভিটামিন বি১২সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।

তবে ডিমটি যদি মুরগির অন্ত্র বা অন্যান্য বর্জ্য দিয়ে দূষিত হয় কিংবা ভালোভাবে রান্না না করা হয়, তাহলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে সালমোনেলার মতো জীবাণু খাদ্যবাহিত অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  মাত্র এক দিনে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল কমেছে ৬টি, আটকে আছে ৪৩৬ জাহাজ

কারা সতর্ক থাকবেন

মুরগির পেটে পাওয়া ডিমে কোলেস্টেরল তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। তাই যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, ডায়াবেটিস বা হৃদ্‌রোগ রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত কুসুম খাওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনে চলা ভালো।

একইভাবে কোনো রোগের কারণে যাদের আমিষ বা আয়রন গ্রহণে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তাদেরও অতিরিক্ত পরিমাণে এ ধরনের ডিম খাওয়া উচিত নয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ডিমটি অক্ষত ও পরিষ্কার কি না নিশ্চিত হওয়া এবং পর্যাপ্ত সময় রান্না করে পুরোপুরি সিদ্ধ করা। সন্দেহ থাকলে ঝুঁকি না নিয়ে ডিমটি ফেলে দেওয়াই নিরাপদ।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মালয়েশিয়ায় ২৭ বাংলাদেশি আটক

মুরগির পেটে পাওয়া ডিম খাওয়া যাবে? যেসব বিষয় আগে জানা জরুরি

আপডেটের সময়: ০৭:৩২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মুরগি কাটার সময় পেটের ভেতরে অনেক সময় আস্ত বা আধা-গঠিত ডিম পাওয়া যায়। কারও কাছে এটি পরিচিত খাবার, আবার কেউ স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কায় ফেলে দেন। তবে মুরগির পেটে পাওয়া এই ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ডিমটি অক্ষত থাকলে এবং মুরগির পেটের বর্জ্য দিয়ে দূষিত না হলে যথাযথভাবে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। তবে সামান্য সন্দেহ থাকলেও তা না খাওয়াই নিরাপদ।

ডিমটি অক্ষত কি না দেখুন

মুরগির পেটে থাকা ডিম যদি খোলস বা পাতলা আবরণের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে, তাহলে সেটি রান্না করা যেতে পারে। তবে বের করার সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে ডিমটি ফেটে না যায় এবং মুরগির ভেতরের ময়লা বা বর্জ্য এতে না লাগে।

আরও পড়ুনঃ  কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের দুই সিনেমার জয়

ডিমের আবরণ ভেঙে গেলে কিংবা ডিমের গায়ে পিত্তথলি বা নাড়িভুঁড়ির বর্জ্য লেগে গেলে সেটি খাওয়া নিরাপদ নয়। বিশেষ করে বেশি পরিমাণ বর্জ্য দিয়ে ডিম দূষিত হলে তা অক্ষত দেখালেও ফেলে দেওয়া উচিত।

এ ছাড়া ডিম থেকে অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ বের হলে সেটিও না খাওয়াই ভালো।

রান্নার আগে কী করবেন

ডিমটি পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পানি দিয়ে ধোয়ার প্রয়োজন নেই। খোলস বা পাতলা আবরণের ওপর দৃশ্যমান ময়লা থাকলে টিস্যু দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিতে পারেন।

এ ধরনের ডিম দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ না করে দ্রুত রান্না করে নেওয়াই ভালো।

ভালোভাবে সেদ্ধ করা জরুরি

ডিম যে পদেই রান্না করা হোক না কেন, ভেতরের অংশ পুরোপুরি সেদ্ধ হওয়া নিশ্চিত করতে হবে। অল্প সময় উচ্চ তাপে রান্না করলে বাইরে সিদ্ধ হলেও ভেতরটা কাঁচা থেকে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ২০২৯ সালের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালুর লক্ষ্য ভারতের, উদ্বেগ মুসলিমদের

তাই মাঝারি আঁচে পর্যাপ্ত সময় রান্না করা উচিত। ডিম সেদ্ধ হয়েছে কি না নিশ্চিত হতে একটি ডিম তুলে মাঝখান কেটে দেখা যেতে পারে। ভেতরের অংশ নরম বা কাঁচা থাকলে আরও কিছু সময় রান্না করতে হবে।

জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি আছে

মুরগির পেট থেকে নিরাপদে বের করা এবং সঠিকভাবে রান্না করা ডিমে পুষ্টি উপাদান থাকতে পারে। এতে আমিষ, ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন ও ভিটামিন বি১২সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।

তবে ডিমটি যদি মুরগির অন্ত্র বা অন্যান্য বর্জ্য দিয়ে দূষিত হয় কিংবা ভালোভাবে রান্না না করা হয়, তাহলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে সালমোনেলার মতো জীবাণু খাদ্যবাহিত অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  কেন্দ্র থেকে তৃণমূল—বড় সাংগঠনিক পুনর্গঠনের পথে বিএনপি

কারা সতর্ক থাকবেন

মুরগির পেটে পাওয়া ডিমে কোলেস্টেরল তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। তাই যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, ডায়াবেটিস বা হৃদ্‌রোগ রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত কুসুম খাওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনে চলা ভালো।

একইভাবে কোনো রোগের কারণে যাদের আমিষ বা আয়রন গ্রহণে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তাদেরও অতিরিক্ত পরিমাণে এ ধরনের ডিম খাওয়া উচিত নয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ডিমটি অক্ষত ও পরিষ্কার কি না নিশ্চিত হওয়া এবং পর্যাপ্ত সময় রান্না করে পুরোপুরি সিদ্ধ করা। সন্দেহ থাকলে ঝুঁকি না নিয়ে ডিমটি ফেলে দেওয়াই নিরাপদ।