মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবন ও সৃজনশীল চিন্তাকে উৎসাহিত করতে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্ট-আপ, সাইন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’-এর বিজয়ীদের হাতে আগামীকাল সোমবার (২৯ জুন) পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (২৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS)-এর আওতায় এ আয়োজন করা হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য—“মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।”
রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজনে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে নির্বাচিত সেরা ১০০টি দল তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করবে। পরে দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন।
সারাদেশের ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি দলে তিনজন শিক্ষার্থী ও দুইজন শিক্ষক রয়েছেন। গত ১২ জুন দেশের ৫২১টি উপজেলা ও মহানগর শিক্ষা থানায় উপজেলা পর্যায়ের শোকেসিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৮ হাজার ২৯টি দলে মোট ২৭ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী এবং ১৬ হাজার ৫৮ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
উপজেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত ৫৪৬টি দল ১৪ জুন জেলা পর্যায়ে তাদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। সেদিন ঢাকা জেলা পর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করেন।
জাতীয় পর্যায়ে সেরা ১০টি দলকে ট্রফি দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্বাচিত শিক্ষকদের ‘সু-শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার’ হিসেবে ৩০ হাজার টাকা ও সনদপত্র এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ‘উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার’ হিসেবে ২০ হাজার টাকা ও সনদপত্র প্রদান করা হবে।
এছাড়া একই অনুষ্ঠানে দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ৫ কোটি গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই কর্মসূচিতে ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদ্রাসা অংশ নেবে।
প্রতিবেদকের নাম 




















