ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
২৮ হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় মাজেদুর রহমান, কে এই ব্যাংকার?  রাজশাহীর তাজা মাছ বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ইস্ট বেকার ব্রেডের মান পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফল: প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হবিগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকতে দিল্লির কাছে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছেন: রিজভী বিমান খাতের সব সিন্ডিকেট নির্মূলে কাজ করছে সরকার: মন্ত্রী আফরোজা খানম ৫৬ বছরেও ফিট সাইফ আলী খান, জানালেন তাঁর সহজ জীবনযাপনের রহস্য সামরিক ও রাজনৈতিক—দুই ক্ষেত্রেই ইরান বিজয়ী হয়েছে: গালিবাফ মার্কিন সেনাকে আটক বা হত্যায় ৩০ হাজার ডলার পুরস্কারের ঘোষণা ইরানের সেনাপ্রধানের মুন্সীগঞ্জের হাসপাতালে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন, আতঙ্কে রোগী-স্বজনদের ছোটাছুটি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

হামলার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম আমির হামজার

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা অভিযোগ করেছেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়ে কুষ্টিয়ার শান্ত পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়া শহরের মোল্লাতেঘরিয়া এলাকায় জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আমির হামজা।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার প্রতিবাদে রোববার বিকেলে কুষ্টিয়া শহরে দলীয়ভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করার ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুনঃ  কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধ, শ্রীপুরে সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রশাসনের কাছে তিন দাবি

সংবাদ সম্মেলনে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের কাছে তিনটি দাবি তুলে ধরেন আমির হামজা।

তার দাবিগুলো হলো—হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর অবস্থান নেওয়া।

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ

নিজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আমির হামজা। তিনি অভিযোগ করেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বশীলদের ব্যর্থতার কারণে তারা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাচ্ছেন না।

আরও পড়ুনঃ  ২৫ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ডিসির অভিনন্দন, চিঠির সঙ্গে বই-ফুল-মিষ্টি

তার ভাষ্য, প্রশাসনের বর্তমান অবস্থায় তাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা পাওয়ার বিষয়ে তিনি আশ্বস্ত হতে পারছেন না।

থানায় এজাহার

এদিকে আমির হামজার গাড়িতে হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বরের কাছে এজাহার জমা দেন।

এজাহারে গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের আসামি করা হয়েছে। সেখানে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, পুলিশ এজাহার পেয়েছে। মামলা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে লাগতে পারে দুই বছর, জানালেন অর্থমন্ত্রী

গাড়িতে লাঠি রাখার ব্যাখ্যা

হামলার সময় তার গাড়ি থেকে লাঠি বের করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবও দেন আমির হামজা।

তিনি জানান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তার গাড়িতে সবসময় দুটি লাঠি রাখা হয়। এখনো সরকারি অস্ত্রের লাইসেন্স না পাওয়া এবং সরকারি বডিগার্ড না থাকার কারণে এগুলো রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

হামলার সময় তার চালক লাঠি হাতে গাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন জানিয়ে আমির হামজা বলেন, পরে পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসতে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

২৮ হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় মাজেদুর রহমান, কে এই ব্যাংকার?

হামলার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম আমির হামজার

আপডেটের সময়: ০৪:০০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা অভিযোগ করেছেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়ে কুষ্টিয়ার শান্ত পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়া শহরের মোল্লাতেঘরিয়া এলাকায় জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আমির হামজা।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার প্রতিবাদে রোববার বিকেলে কুষ্টিয়া শহরে দলীয়ভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করার ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে লাগতে পারে দুই বছর, জানালেন অর্থমন্ত্রী

প্রশাসনের কাছে তিন দাবি

সংবাদ সম্মেলনে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের কাছে তিনটি দাবি তুলে ধরেন আমির হামজা।

তার দাবিগুলো হলো—হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর অবস্থান নেওয়া।

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ

নিজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আমির হামজা। তিনি অভিযোগ করেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বশীলদের ব্যর্থতার কারণে তারা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাচ্ছেন না।

আরও পড়ুনঃ  বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট জয়ের যত ইতিহাস

তার ভাষ্য, প্রশাসনের বর্তমান অবস্থায় তাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা পাওয়ার বিষয়ে তিনি আশ্বস্ত হতে পারছেন না।

থানায় এজাহার

এদিকে আমির হামজার গাড়িতে হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বরের কাছে এজাহার জমা দেন।

এজাহারে গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের আসামি করা হয়েছে। সেখানে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, পুলিশ এজাহার পেয়েছে। মামলা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুনঃ  কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধ, শ্রীপুরে সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

গাড়িতে লাঠি রাখার ব্যাখ্যা

হামলার সময় তার গাড়ি থেকে লাঠি বের করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবও দেন আমির হামজা।

তিনি জানান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তার গাড়িতে সবসময় দুটি লাঠি রাখা হয়। এখনো সরকারি অস্ত্রের লাইসেন্স না পাওয়া এবং সরকারি বডিগার্ড না থাকার কারণে এগুলো রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

হামলার সময় তার চালক লাঠি হাতে গাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন জানিয়ে আমির হামজা বলেন, পরে পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসতে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।