চলমান সংঘাতের মধ্যে সামরিক ও রাজনৈতিক—উভয় ক্ষেত্রেই ইরান ‘প্রকৃত বিজয়’ অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
রোববার (১৬ আগস্ট) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইরান’
গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতৃত্বে পরিচালিত চলমান সংঘাতের মধ্যেও ইরানের জনগণ দৃঢ়তা ও সাহসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে।
তিনি এই যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একটি ‘কাপুরুষোচিত’ অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ইরানের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং দেশের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
সামরিক সাফল্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক অর্জনের দাবি
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের বক্তব্য অনুযায়ী, সংঘাতের ফলাফল শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক দিক থেকেও ইরান গুরুত্বপূর্ণ অর্জন করেছে বলে তিনি মনে করেন।
গালিবাফের দাবি, সামরিক চাপ ও হামলার মধ্যেও ইরানের প্রতিরোধ অব্যাহত থাকায় দেশটি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পেরেছে।
তবে ইরানের এই ‘বিজয়’ দাবিটি মূলত গালিবাফের রাজনৈতিক বক্তব্য। সংঘাতের সামরিক ও কৌশলগত ফলাফল নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি মূল্যায়নে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।
সংঘাতের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাতের প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গালিবাফের সর্বশেষ মন্তব্যের মাধ্যমে ইরান যে সংঘাতের মধ্যেও নিজেদের অবস্থানকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে, তা স্পষ্ট হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















